
হামলার ‘কঠিন জবাব দেবে’ ইসরায়েল, আকাশসীমা বন্ধ করল ইরান
ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে ইরান আকাশসীমা বন্ধ করেছে, সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে।

ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে ইরান আকাশসীমা বন্ধ করেছে, সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে।

ইরান থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ।

ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় দেশগুলোর পুনর্গঠনে ইরানি সম্পদ ব্যবহারের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে হামলা-পাল্টাহামলায় নাজুক যুদ্ধবিরতি আরও নাজুক হয়ে পড়ছে।

মার্কিন নাগরিকদের বড় একটি অংশ মনে করে, ইরান যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশ শর্তযুক্ত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার কয়েক দিন পর লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে হামলা চালাল ইসরায়েল।

ইসরায়েলের সঙ্গে আবার আলোচনা শুরুর জন্য হামাস কায়রোয় প্রতিনিধিদল পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, কবরস্থান ভেঙে সামরিক স্থাপনা তৈরি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা

ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ হয়তো ইরান–সংক্রান্ত তাঁর কূটনৈতিক উদ্যোগকে টিকিয়ে রেখেছে, তবে ইসরায়েল হিজবুল্লাহর শক্তি দমনে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখলে লেবানন সংকট সব সময়ই উত্তপ্ত হয়ে ওঠার এবং তেহরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনাকে ব্যাহত করার ঝুঁকি তৈরি করবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম শনিবার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকে অবরুদ্ধ ১ হাজার ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের সম্পদ মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার আইআরজিসি বলেছিল, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলে তার জবাব দেওয়ার ‘বৈধ ও সুনির্দিষ্ট’ অধিকার তারা সংরক্ষণ করে।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনো দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য থেকে গেছে বলে মনে হচ্ছে।