নেত্রকোনায় দুটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৯ হাজার হেক্টর খেতের ধান পানির নিচে
নেত্রকোনায় ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কংস নদের পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ১০ মিটার এবং উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নেত্রকোনায় ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কংস নদের পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ১০ মিটার এবং উব্দাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেটসহ ছয় বিভাগে আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে।
বৃষ্টিতে ঢাকার গ্রিনরোড, কারওয়ান বাজার, পান্থপথ, জিগাতলা, পশ্চিম তেজতুরী বাজার, মালিবাগ, বংশালসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তায় পানি জমেছে।
চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতার অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দাবি করেছেন। তাঁর ভাষ্য, সাময়িক পানিজট হয়েছিল।
ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি উজান থেকে আসা ঢলে সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, মৌলভীবাজার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাওরাঞ্চলে বিস্তৃত এলাকার ধানখেত তলিয়ে গেছে।
গত মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর পরবর্তী ৯৬ ঘণ্টার পূর্বাভাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কথা জানায়।
‘পানি হু হু করে ঢুকেছে। ১০ মিনিটের মধ্যে বুকসমান পানি হয়ে যায় দোকানে। কিছুই বের করতে পারিনি। আমি পথে বসে গেলাম।’ কথাগুলো বলতে বলতে থেমে যান তানভির আহমেদ। চট্টগ্রাম নগরের প্রবর্তক এলাকায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে তাঁর ‘আয়াত সার্জিক্যাল’ নামের ওষুধের দোকানটি এখন পানির নিচে। তাঁর ধারণা, ক্ষতির পরিমাণ ৫০ লাখ টাকার বেশি।
খাগড়াছড়িতে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফসলের ক্ষতি, দুশ্চিতায় কৃষক।
মৌলভীবাজারে টানা কয়েক দিনের হালকা ও ভারী বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জেলার বিভিন্ন হাওরে পানি বেড়েছে।
৪ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে
দেশের চার নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এসব নদী হলো ভুগাই কংস, মনু, সোমেশ্বরী ও মগরা।
গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে, ১৬১ মিলিমিটার। এটাই গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ বৃষ্টি।