আকস্মিক বন্যার পূর্বাভাস, উভয়সংকটে হাওরের কৃষক
বৈরী আবহাওয়া, আকস্মিক বন্যার শঙ্কাসহ নানা কারণে সুনামগঞ্জে হাওরের কৃষকেরা বিপাকে পড়েছেন। একদিকে বন্যার পূর্বাভাস, অন্যদিকে বৃষ্টির কারণে ধান কাটা ও মাড়াইয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাঁদের।
বৈরী আবহাওয়া, আকস্মিক বন্যার শঙ্কাসহ নানা কারণে সুনামগঞ্জে হাওরের কৃষকেরা বিপাকে পড়েছেন। একদিকে বন্যার পূর্বাভাস, অন্যদিকে বৃষ্টির কারণে ধান কাটা ও মাড়াইয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাঁদের।
সুনামগঞ্জে আকস্মিক বন্যার পূর্বাভাসে হাওরাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অনিশ্চয়তার মধ্যেই তাঁরা দ্রুত ধান কাটার কাজে নেমেছেন।
কর্তৃপক্ষ নিচু এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ইতিমধ্যে ২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয়ের খোঁজে নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুরোনো সংবাদ প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে আকস্মিক বন্যার সম্ভাব্য ঝুঁকি নির্ধারণের উদ্যোগ নিয়েছে গুগল।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
২০২৩ সালের এপ্রিল মাস থেকে সুদান সেনাবাহিনী এবং আধা সামরিক বাহিনী আরএসএফের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। সুদানের দক্ষিণ কর্দোফান অঞ্চলে বর্তমানে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতা চলছে।
পাকিস্তান ও ভারতের মতো করে আফগানিস্তানও চরম আবহাওয়াজনিত ঝুঁকির মধ্যে থাকে।
সম্প্রতি টানা ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবানসহ চট্টগ্রাম, কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকা ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত হয়। এই বিপর্যয় কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। এক দশকের বেশি সময় ধরে প্রতি বর্ষায় একই অঞ্চলে বন্যা ও পাহাড়ধস আর শুষ্ক মৌসুমে তীব্র পানিসংকট দেখা দিচ্ছে। মৌসুমভেদে এই দুই বিপরীত বাস্তবতা একই পরিবেশগত সংকটের ভিন্ন প্রকাশ।
রংপুর, সিলেটসহ চার বিভাগ এবং ভারতের আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাসের কারণে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। বর্তমানে দেশের তিনটি প্রধান নদীর চারটি স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সোমবার (২০ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও স
তিন ধরনের ‘বন্যা’ হয় হাওরে। উকিল মুন্সীর গানের মতো ‘আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি’ সাধারণ ঋতুভিত্তিক বন্যা।
বর্ষায় বাংলাদেশ যেমন সুন্দর হয়ে ওঠে, তেমনি জলাবদ্ধতা, বন্যা, বজ্রপাত ও পানিতে ডুবে যাওয়ার মতো দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ে।
জিটুজি চুক্তির আওতায় জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে ১৫ লাখ ২৫ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত এবং বগুড়া জেলায় ১৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণসহ কয়েকটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। ব্যয় হবে মোট ১৬ হাজার ৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং আশ্রয়কেন্দ্র প্রকল্পে ১২৬ কোটি টাকা।