ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ইউনিট মেডিসিন ক্লাবের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ, ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ইউনিট মেডিসিন ক্লাবের উদ্যোগে ২৩ জানুয়ারি গরিব ও দুস্থ মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ইউনিট মেডিসিন ক্লাবের উদ্যোগে ২৩ জানুয়ারি গরিব ও দুস্থ মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
ইন্দোনেশীয় পরিবারটিও বেশ চমৎকার মা, বাবা, দুই ছেলে আর এক মেয়ে। ট্যুর গাইড সংক্ষেপে ইংরেজিতে বর্ণনা করল আজ আমরা কী করতে যাচ্ছি।
বাংলাদেশের বাইরেও তেহজীবের অভিজ্ঞতা বিস্তৃত। ভারতের হাম্পতা পাস, কাশ্মীর গ্রেট লেক, বরফে ঢাকা কেদারকান্ত, মেঘালয়, নাগাল্যান্ডের জুকু ভ্যালি এবং শ্রীনগর–মানালি–লাদাখ রোড ট্রিপ—সবই তার শৈশবের অংশ।
বাংলায় স্নাতক পাস করে আমাদের স্কুলে যোগ দেন গত শতকের আশির দশকে। আমাদের ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণিতে ইংরেজি ২য় পত্র পড়িয়েছিলেন। অসম্ভব সুন্দর ছিল তাঁর কথা বলার ধরন। তাঁর শুদ্ধ উচ্চারণ আমাদের মুগ্ধ করত।
শুনানির সময় জানা গেল ওই ব্যক্তির নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে, অফিসের সব কাগজপত্রে নমিনির নাম থেকে তাঁর সন্তানদের নাম কর্তন করে তাঁর নতুন স্ত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কাকে বিশ্বাস করবেন? জন্মদাতা পিতার বিরুদ্ধেও অভিযোগ নিয়ে আদালতের কাঠগড়ায় এসে দাঁড়াতে হয়।
একজন খেলোয়াড় যদি লিগ ক্রিকেটেই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তবে বিশ্বকাপের মতো বৃহৎ আয়োজনের সময় পুরো দলের নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত করা সম্ভব?
ইয়ানা শীতের আয়োজন বেশ পছন্দ করে। ঘরের সামনে ফাঁকা, তাই উঠোনে রোদের মেলা। ও বাড়ি, এ বাড়ি থেকেও লোকে এসে রোদ পোহায়।
অনেক উচ্চবিত্ত মেধার অধিকারী মানুষ ভেতরে–ভেতরে একধরনের হীনম্মন্যতায় ভোগেন। তাঁরা ভাবেন, তাঁদের সাফল্যগুলো যোগ্যতা নয়, বরং নিছক ভাগ্য বা কাকতালীয়।
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২০২৪ সালের ৬ জুন জেরিন নামের এক মানবিক প্রাণের অকালে মৃত্যুর স্মৃতিকে ধারণ করে গড়ে ওঠে স্বেচ্ছাসেবী ও মানবিক সংগঠন ‘জেরিন স্মৃতি কেয়ার’।
একটি প্রশ্নেই লুকিয়ে আছে সমাজের অসহায়তা। একটি বিশ্ববিদ্যালয়, যার মূল উদ্দেশ্য জ্ঞানচর্চা, মানবিক মূল্যবোধ আর সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরি করা, তার ভেতরেই একটি শিশু কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে।
নিঃসন্দেহে জুলাই সনদ ফ্যাসিবাদ দূরীকরণে আওয়ামী লীগ ছাড়া সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবিত এযাবৎকালের বড় প্রেসক্রিপশন। যেটি বাস্তবায়নে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গোলাপি ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ গণভোটের মাধ্যমে পাবলিক ম্যান্ডেট নেওয়া হবে।
কয়েকটা দিন ভালোই ছিলাম, জানতে চাইনি পৃথিবী কেমন চলছে। দেশ আর বিশ্বের রাজনৈতিক পটভূমি কিছুই মনে আসেনি। কাবা শরিফে কয়েকজন আরব ডেকে ইংরেজিতে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘কোথা থেকে এসেছেন?’ উত্তর দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন করলাম, ‘তোমরা?’ উত্তর, ‘ইরান।’ অজান্তেই বলেছিলাম, ‘তোমরা সাহসী, তোমাদের সাহস সুপারসনিক মিসাইলগুলোর মতো চমৎকার।’ ওরা খুশি হয়েছিল কি না বোঝা যায়নি।