
ঢাকায় গণমিছিলসহ তিন মাসের কর্মসূচি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও চলমান বিভিন্ন সংকট নিরসনের দাবি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও চলমান বিভিন্ন সংকট নিরসনের দাবি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের।

ব্যর্থতা ঢাকতে সরকার জনগণকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বড় আন্দোলনে নামার লক্ষ্য জামায়াতসহ ১১ দলের

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বড় কর্মসূচির দিকে এগোচ্ছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য। গণমিছিল, সেমিনার ও লিফলেট বিলির পর বিভাগীয় শহরগুলোয় সমাবেশের পর রাজধানীতে মহাসমাবেশ করতে চাইছে তারা। এর উদ্দেশ্য ক্ষমতাসীনদের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ানো।

গণভোটের তৃতীয় প্রশ্নের বিষয়ে জনগণের কোনো ধারণা ছিল না বলেও মন্তব্য করেন সারা হোসেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, যেভাবে গণভোটের গণরায়কে অস্বীকার করা হয়েছে এবং যেভাবে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, সন্ত্রাসে সারা দেশ ছেয়ে যাচ্ছে, এখানে আমাদের একটি বিকল্প শক্তি গড়ে তুলতে হবে।

সমাবেশে জামায়াতের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার পর বিএনপি ‘জাতীয়তাবাদী ফ্যাসিস্ট সরকার’ হওয়ার চেষ্টা করছে।

মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, সংস্কার কমিশনের বৈঠকে বিএনপি সংস্কারের পরিবর্তে নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দিয়েছিল।

এর আগে বেলা ১১টায় আল ফালাহ মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শুরু হয়।

প্রতিবছর পয়লা বৈশাখে হালখাতা খুলে যেভাবে সব বকেয়া পরিশোধ করা হয়, সেভাবে জাতীয় জীবনের সব বকেয়া পরিশোধ করতে বিএনপি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শিশির মনির ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশের সংশোধনীতে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ব্যাংক লুটেরাই আবার ব্যাংকের মালিক হচ্ছে। গুম অধ্যাদেশ, গণভোট ও বিচারকদের শোকজসহ বিভিন্ন বিষয়ে তারা সরকারের বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন।

বিএনপি বারবার বলছে, তারা সংস্কারের বিরোধী নয়; বরং আপত্তি তাদের সংস্কার বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে। বাস্তবে দেখা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক সংস্কার প্রস্তাবেই পদ্ধতিগত দুর্বলতা ও বিতর্ক রয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, জুলাই সনদের আওতায় ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবকে মাত্র চারটি প্রশ্নে গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।