খাদিজার প্রতি নবীজির ভালোবাসা
খাদিজার চেয়ে উত্তম কাউকে আল্লাহ দান করেননি। মানুষ যখন আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন খাদিজা সত্য বলে গ্রহণ করেছিলেন, সবাই যখন শত্রু ছিল, তিনিই ছিলেন আশ্রয়।
খাদিজার চেয়ে উত্তম কাউকে আল্লাহ দান করেননি। মানুষ যখন আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, তখন খাদিজা সত্য বলে গ্রহণ করেছিলেন, সবাই যখন শত্রু ছিল, তিনিই ছিলেন আশ্রয়।
নেতার স্বভাব রূঢ় হবে না। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘হে নবী! আপনি যদি কর্কশভাষী, রূঢ় প্রকৃতির ও কঠোর স্বভাবের হতেন, তবে লোকেরা আপনার আশপাশ ছেড়ে চলে যেত।’
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পেলে ইনশা আল্লাহ সবাইকে নিয়ে সরকার গঠন করব। সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে আমরা এগিয়ে নিতে চাই।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা কথা দিচ্ছি, আমরা তোমাদের এমন একটা মায়ের জাতি উপহার দেব ইনশা আল্লাহ, যাঁরা ঘরে, যাতায়াতে এবং কর্মস্থলে পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে দেশ গড়ার কাজে অবদান রাখবেন। সেখানে তাঁরা সম্পূর্ণ নিরাপত্তা এবং সম্পূর্ণ সম্মানের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।’
মুমিনরা কেবল সেই বিজয়ের আমানতদার বা প্রহরী মাত্র। আল্লাহ ইসলামের খেদমতের জন্য কাউকে নির্বাচন করেন, এটি সেই বান্দার জন্য এক মহা সম্মান।
মানবজীবনের চালিকা শক্তি হলো প্রজ্ঞা বা জ্ঞান। প্রজ্ঞা মানুষের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য এবং আল্লাহ তাআলা প্রদত্ত শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধিত হয় শিক্ষার মাধ্যমে।
চরম মানসিক ও শারীরিক বিপর্যয়ের মুহূর্তে আল্লাহ নবীজিকে আকাশভ্রমণে আপ্যায়িত করার সিদ্ধান্ত নেন। জমিনে প্রত্যাখ্যাত হয়ে আসমানের পক্ষ থেকে এ এক বিশেষ সংবর্ধনা।
আল্লাহ-তাআলা নুহ (আ.)-এর নৌযানে যাঁদের আরোহন করিয়েছিলেন, তাঁদের একজন ছিলেন জুরহুম, তাঁর মাধ্যমে বিশুদ্ধ আরবি টিকে থাকে এবং ভাগ্য জুরহুমকে টেনে আনে মক্কায়।
ঝালকাঠির রাজাপুরে ‘বিড়িতে সুখ টানের মধ্যেও দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে’ বলা ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের জামায়াতের প্রার্থী ফয়জুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
আল্লাহ আরও বলেন, ‘তুমি এতিমের প্রতি কঠোর হয়ো না।’ (সুরা-৯৩ দুহা, আয়াত: ৯)
জান্নাতি লোকদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, ‘তারা আল্লাহর মহব্বতে অভাবগ্রস্ত, ইয়াতিম ও বন্দীদের আহার্য প্রদান করে।
আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা কি নির্ভয় হয়ে আছ সেই সত্তার (আল্লাহর) কাছ থেকে, যিনি আকাশে রয়েছেন—যে তিনি তোমাদেরসহ ভূমিকে ধসিয়ে দেবেন না?