
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর বিশ্বজুড়ে পরমাণু অস্ত্রই কি রক্ষাকবচ হয়ে উঠছে
জার্মানি বা পোল্যান্ডের মতো ইউরোপের কোনো কোনো দেশও এখন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চাইছে।

জার্মানি বা পোল্যান্ডের মতো ইউরোপের কোনো কোনো দেশও এখন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চাইছে।

পেন্টাগনের ইরানে স্থল অভিযানের পরিকল্পনায় মার্কিন আইনপ্রণেতারা কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে সেনা জড়ো হচ্ছে এবং যুদ্ধ নতুন বিপজ্জনক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের অনুমতি ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র খারগসহ ইরানের বেশ কিছু দ্বীপ দখলে স্থল অভিযান চালাতে পারে।

পেন্টাগন ইরানে কয়েক সপ্তাহের স্থল অভিযানের পরিকল্পনা করছে, যাতে হাজার হাজার মার্কিন সেনা মধ্যপ্রাচ্যে যোগ দিচ্ছেন। ট্রাম্পের অনুমোদনে এটি বিশেষ বাহিনীর দ্রুত অভিযান হবে, লক্ষ্য খারগ দ্বীপ ও হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানি অস্ত্র ধ্বংস। গত মাসে ১৩ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।

৬২ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানে স্থলসেনা পাঠানোর বিরোধী।

ইরানের হামলার কারণে এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় থমকে গেছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরীকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাঁদের জায়গায় নতুন সচিব নিয়োগসহ অন্যান্য পদ পরিবর্তনের ঘোষণা জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এছাড়া একটি প্রত্যাহার আদেশ স্থগিত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রকে সামরিকভাবে দুর্বল না করে নৈতিক ও প্রতীকী বয়ানকে শক্তিশালী করছে। শিয়া ধর্মতত্ত্বের শাহাদাত ও আত্মত্যাগের ধারণা এই রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখছে। বিদেশি আগ্রাসন অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ঢেকে রাষ্ট্রকে জাতীয় রক্ষক হিসেবে উপস্থাপন করার সুযোগ দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রে শনিবার তৃতীয় ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে ৩২০০টির বেশি স্থানে লাখো মানুষ ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি ও ইরান যুদ্ধের প্রতিবাদ করে। নিউইয়র্কসহ বড় শহরগুলোতে বিশাল মিছিল হয়। কয়েক জায়গায় সংঘর্ষ ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে।

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার দেউলিয়া গ্রামের এক পটোলখেতে বাঁশের খুঁটি বসানোর সময় মাটির নিচে ৩২৫টি থ্রি-নট-থ্রি রাইফেলের গুলি পাওয়া যায়। পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে হেফাজত নেয়। গুলিগুলো জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকায় মুক্তিযুদ্ধের সময়ের বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পের নীতির প্রতিবাদে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভে লক্ষ লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। ছোট শহরগুলোতে অংশগ্রহণ ৪০ শতাংশ বেড়েছে। বিভিন্ন নেতা ও সেলিব্রিটি বক্তব্য দিয়ে প্রতিবাদ জোরদার করেছেন।

ফ্লোরিডায় সৌদি-সমর্থিত বিনিয়োগ ফোরামে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে কটাক্ষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি ভাবতেও পারেননি আমার কাছে মাথা নত করতে হবে। পরে যুবরাজের প্রশংসা করে তাঁকে ‘চমৎকার মানুষ’ ও ‘যোদ্ধা’ বলেন। ইরানবিরোধী যুদ্ধে এক মাস পূর্ণ হওয়ার সময় এ মন্তব্য করেন ট্রাম্প।