মানুষের মুখ: সংসারে সচ্ছলতা এনেছেন সমাপ্তি, গ্রাম ও শহরের মধ্যে গড়েছেন সম্পর্ক
ভোর থেকে শুরু হওয়া নিরবচ্ছিন্ন ছুটে চলাই বটিয়াঘাটা উপজেলার হোগলবুনিয়া গ্রামের সমাপ্তি মণ্ডলের প্রতিদিনের জীবন, প্রতিদিনের জীবিকার সংগ্রাম।
ভোর থেকে শুরু হওয়া নিরবচ্ছিন্ন ছুটে চলাই বটিয়াঘাটা উপজেলার হোগলবুনিয়া গ্রামের সমাপ্তি মণ্ডলের প্রতিদিনের জীবন, প্রতিদিনের জীবিকার সংগ্রাম।
জুতা সেলাইয়ের কাজ করে যে আয় হয়, তা দিয়ে এই বাজারে সংসারের খরচ চালানো দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে বলে জানান রামকুমার।
রাহীরা থাকে রাজশাহী নগরের কাজলায়। বাবা সাঈদ রিকশাচালক। মা যুথী বেগম গৃহিণী। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়তে শুরু করায় সংসারে টানাটানি শুরু হয়েছে।
সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছিল তাঁর বাবা বাবলু জামানের কাছ থেকে, যিনি আবার বর্ণার কোচ। মেয়ের শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা সইতে না পেরে বাবা যখন বললেন, ‘সংসারে মন দাও, ভালো স্ত্রী–মা হও।’ তখন বর্ণার পায়ের নিচের মাটি যেন সরে গিয়েছিল।
এ সিনেমায় নিশো বারবার নিজেকে ভেঙেছেন। তাঁর ভঙ্গুরতা আর বেঁচে থাকার আকুতি যেমন চোখে জল এনেছে, তেমনি তাঁর সংসারের ছোট ছোট মুহূর্ত আনন্দ দিয়েছে দর্শকদের।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার ভদ্রাবতী নদীর তীরে চৈত্রের গরম উপেক্ষা করে ‘বউমেলা’ জমজমাট হয়েছে। নারী, শিশু ও কিশোরীরা সংসারের জিনিসপত্র, প্রসাধনী ও খেলনা কিনতে ভিড় করেছেন। প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই মেলা বারুহাঁস বাজারকে উৎসবমুখর করে তুলেছে।
প্রায় চার দশক ধরে লঞ্চের ডেকে যাত্রীদের জুতা সেলাই করে জীবিকা নির্বাহ করছেন বাবুল হোসেন (৫৫)। বরগুনার গ্রামের এই সংসারী পরিবারের ভরণপোষণ করেন নৌপথের আয়ে। বাড়ি ফেরার তাগিদ নেই তাঁর, পথই তাঁর ঘর।
অভাব-অনটনের সঙ্গে লড়াই করেও বড় স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে চলেছেন রাজশাহীর নদীর ওপারের এক গ্রামের ছেলে মো. জুয়েল রানা। বাবা কৃষক, মা গৃহিণী। চার ভাই-বোনের সংসারে জুয়েল সবার ছোট।
প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন বনানীর কড়াইল বস্তির ৪ জন, মিরপুরের ভাষানটেক বস্তির ৫ ও মহাখালীর সাততলা বস্তির ৮ জন নারী।
১৯৯৯ সালে বিজয় ও সংগীতার বিয়ে হয়। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময়ের সংসারে তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে।
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার শায়েস্তানগর এলাকায় গত রোববার সন্ধ্যায় দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে সালাহ উদ্দিন (৪০) নামের এক অটোরিকশাচালক মারা গেছেন।
রহিমদের বাড়িতে দীর্ঘ ৪০ বছর যাবৎ কাজ করছে আকলিমা খাতুন। এককথায় সে তাদের সংসারটা শুধু বাঁচিয়ে রেখেছে তা নয়; বরং তাদের সমৃদ্ধির মূলে তার অবদান সীমাহীন।