হরমুজ নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি শর্ত, যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা কি আরও ঝুঁকিতে পড়ছে
কোনো চুক্তি হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
কোনো চুক্তি হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে।
চুক্তি না হলে ইরানে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন ট্রাম্প।
রিয়াদ, আঙ্কারা ও ইসলামাবাদের কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলছেন, চুক্তিটি অন্য কোনো জোটের বিকল্প নয়। বরং এটি বিদ্যমান জোটগুলোর পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেন না। তিনি শক্তি প্রয়োগ, উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে এমন বাস্তবতাকে চূর্ণবিচূর্ণ করার চেষ্টা করেন। নিজের টিকে থাকার লড়াইয়ে যুদ্ধই তাঁর একমাত্র কৌশলগত হাতিয়ার।
এপ্রিলের শুরুতে উভয় পক্ষ একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে উপনীত হয়
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চুক্তি নিয়ে গত ১৫ জুন আন্তর্জাতিক থিংকট্যাংক ক্রাইসিস গ্রুপ এই বিশ্লেষণটি প্রকাশ করেছে। প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় সেটি মুক্তকণ্ঠের পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো।
আলোচনা স্থগিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ বহাল থাকার ঘোষণা ট্রাম্পের।
এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ৬০ দিনের একটি সময়সীমা শুরু হবে।
এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ইরান আবার তেল বিক্রি করতে পারবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চুক্তি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে মেনে নিতে বলেছেন।