
কোন কোন ওষুধ দাঁতের ক্ষতি করতে পারে
এ ছাড়া কিছু ব্যথানাশক ও নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ মাড়ি থেকে রক্তপাত বাড়াতে পারে এবং কখনো কখনো মুখে ঘা তৈরি করতে পারে।

এ ছাড়া কিছু ব্যথানাশক ও নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধ মাড়ি থেকে রক্তপাত বাড়াতে পারে এবং কখনো কখনো মুখে ঘা তৈরি করতে পারে।

দাঁতের ব্যথা এমন একটি সমস্যা, যা হঠাৎ করেই দৈনন্দিন জীবনকে অচল করে দিতে পারে।

ঠান্ডা বাতাস, গরম পানিতে গোসল, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া এবং অনিয়মিত স্কিনকেয়ার রুটিন—সব মিলিয়ে এই সময়ে ত্বকের পানিশূন্যতা আরও বেড়ে যায়।

মুখের ভেতর ঠোঁটের নিচের অংশে প্রায়ই একটা ঘায়ের মতো হয়। ১০-১৫ দিন থাকে, তারপর আবার ঠিক হয়ে যায়।

শীতে অল্প সময়েই ত্বক হয়ে ওঠে রুক্ষ, খসখসে ও নিষ্প্রাণ। অনেকের ক্ষেত্রে ঠোঁট ফেটে যাওয়া, চামড়া উঠে যাওয়া কিংবা মুখে টান টান ভাব তৈরি হওয়া যেন শীতের অবধারিত সঙ্গী।

শীতে ধোঁয়া ওঠা গরম পানি গায়ে ঢালতেই কী আরাম! মনে হয় সারা দিন শাওয়ারের নিচেই দাঁড়িয়ে থাকি। কিন্তু এই আরাম আপনার সাধের চুলের জন্যও কি আরামদায়ক?

তেলে জলীয় অংশ নেই বললেই চলে। ক্রিমে জলীয় অংশের পরিমাণ সামান্য। লোশনে বেশির ভাগটাই জলীয় অংশ।

সঠিক যত্ন নিলে ভালো মানের মেকআপ ব্রাশ দুই বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। আর সাধারণ মানের ব্রাশ ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত ব্যবহার করাই ভালো।

অনেক সময় অজান্তেই আমরা এমন ছোট ছোট অভ্যাস গড়ে তুলি, যা আমাদের দাঁতকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দেয়। দাঁতের ক্ষতি সাধারণত ধীরে ধীরে ঘটে।

বাংলাদেশের আবহাওয়ায় সাদা জুতা পরিষ্কার রাখা সত্যিই চ্যালেঞ্জ। ধুলা, বৃষ্টি ও কাদা—সব মিলিয়ে কয়েক দিন পরই ঝকঝকে সাদা জুতার রং যা হয়, তা দেখার মতো নয়।

অকারণে যেখানে–সেখানে নাক খোঁটান অনেকে। নাকের ভেতরে অতিরিক্ত শুষ্ক বা ভেজা অবস্থা—দুটিই বিরক্তিকর। সেটা কাটাতেই অনেকে এমনটা করেন।

আমরা অনেকেই সময় বাঁচাতে প্রায় সব ধরনের কাপড়ই চোখ বন্ধ করে ওয়াশিং মেশিনে দিয়ে দিই। কিন্তু কিছু কাপড় মেশিনে ধোয়া মানেই স্থায়ী ক্ষতি।