আল-আজহার মসজিদের যাত্রা, ভূমধ্যসাগরে অভিযান
এই দিনে ফাতেমি সেনাপতি জওহর আল-সিকিল্লির তত্ত্বাবধানে নির্মিত আল-আজহার মসজিদে প্রথমবারের মতো জামাতে নামাজ এবং আজান অনুষ্ঠিত হয়।
এই দিনে ফাতেমি সেনাপতি জওহর আল-সিকিল্লির তত্ত্বাবধানে নির্মিত আল-আজহার মসজিদে প্রথমবারের মতো জামাতে নামাজ এবং আজান অনুষ্ঠিত হয়।
রমজানে পাড়ায় পাড়ায় গণ-ইফতারের আয়োজন করা হয়। রাস্তার মোড়ে মোড়ে পথচারী ও অভাবী মানুষের জন্য সাজিয়ে রাখা হয় ইফতারের বাক্স। একে বলা হয় ‘তাকাসুল’।
ইথিওপিয়ার রমজান কেবল মুসলিমদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। রাজধানী আদ্দিস আবাবায় দেখা যায় যেখানে খ্রিষ্টান প্রতিবেশীরা তাদের মুসলিম সহকর্মীদের জন্য ইফতারের খাবার তৈরি করে আনছেন।
এই দিনে একদিকে যেমন মহান বিজয়ের পদধ্বনি শোনা যায়, তেমনি আধুনিক ইতিহাসের এক বিষাদময় অধ্যায় হিসেবে এটি ফিলিস্তিনের ‘নাকবা’ বা মহাবিপর্যয়ের সাক্ষী।
৪ রমজান এক কৌশলগত মোড় পরিবর্তনের দিন। এই দিনে একদিকে মদিনার ইসলামের প্রথম সামরিক পতাকা উড্ডীন হয়, অন্যদিকে ১৭০ বছরের ক্রুসেড দখলদারির অবসান ঘটে।
৩ রমজান দিনটি বেশ বৈচিত্র্যময়। একদিকে এই দিনে ইসলামের প্রথম সশস্ত্র সংগ্রামের যাত্রা শুরু হয়, অন্যদিকে এই দিনেই পৃথিবীকে বিদায় জানিয়েছিলেন মহানবীর কন্যা ফাতিমা (রা.)।
প্রায় এক হাজার বছর আগে, ৯২২ খ্রিষ্টাব্দে প্রাচীন ভলগা বুলগেরিয়া অঞ্চলে ইসলাম রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত হয়েছে। খ্রিষ্টধর্মের প্রসারেরও ৬৬ বছর আগে এই অঞ্চলে ইসলামের আলো পৌঁছেছে।
নীল নদ আর পিরামিডের দেশ মিসর। মিসরিদের কাছে রমজান মানে ‘ফানুস’, ‘মাদফা’ (ইফতারের কামান) আর পাড়া-পড়শির সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া এক দীর্ঘ দস্তরখানের গল্প।
লন্ডনের আরেকটি জনপ্রিয় ইফতার আয়োজন হলো ‘ইফতার স্ট্রিট’। লন্ডনের ফিনসবারি পার্ক মসজিদের সামনের রাস্তাটি ইফতারের সময় এক বিশাল দস্তরখানে পরিণত হয়।
তাদের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস, পবিত্র রমজান মাসে মাথায় যে নতুন চুল গজাবে, তা সারা বছরের জন্য বিশেষ বরকত বা কল্যাণ বয়ে আনবে।
সূর্যাস্তের সময় পরাজিত মঙ্গোলরা পাহাড়ে আশ্রয় নেয় এবং পরদিন পলায়নকালে মুসলিমদের হাতে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। এই বিজয়ের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মঙ্গোল আগ্রাসনের অবসান ঘটে।
ধনী-গরিব নির্বিশেষে আশি হাজার মানুষ যখন ববফরাসের পড়ন্ত বিকেলের সূর্য আর সমুদ্রের মৃদু বাতাসের মাঝে ইফতার করেন, তখন তা এক অপার্থিব দৃশ্যের অবতারণা করে।