হেলিকপ্টারের দুই ক্রু উদ্ধার: যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ব্যবহার করা সি ড্রোনটি আসলে কী
কর্মীদের উদ্ধারে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে এ প্রথম কোনো চালকবিহীন নৌযান বা সি ড্রোন ব্যবহার করা হলো বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কর্মীদের উদ্ধারে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইতিহাসে এ প্রথম কোনো চালকবিহীন নৌযান বা সি ড্রোন ব্যবহার করা হলো বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঋণ করে লেবাননে গিয়েছিলেন সাতক্ষীরার শফিকুল ইসলাম ও নাহিদুল ইসলাম। পরিবারের সচ্ছলতার স্বপ্ন নিয়ে বিদেশযাত্রা করা দুই প্রবাসী ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত হন। চার সপ্তাহ পর তাঁদের মরদেহ গ্রামে পৌঁছালে স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
সেন্টকমের দাবি, মার্কিন বাহিনী ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, একটি স্থলভিত্তিক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র ও একমুখী হামলার জন্য ব্যবহৃত দুটি ড্রোন ধ্বংস করেছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রোবট এবং ড্রোন ব্যবহারের ফলে যুদ্ধের নতুন মাত্রা সৃষ্টি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী গতকাল এক বিবৃতিতে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের একাধিক ড্রোন ভূপাতিতের দাবি করে।
কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নজিরবিহীন ও ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী
প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার করছে ইরান। এমনকি গত এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতির মধ্যে ড্রোন বানানোও শুরু করে দিয়েছে। এমন খবর পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
রুশ সেনাদের গোপনে দেওয়া এই প্রশিক্ষণে মূলত ড্রোন ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
রাশিয়ায় ভালো চাকরির আশায় গিয়েছিলেন ময়মনসিংহের আবদুর রহিম। দালালের ফাঁদে পড়ে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে প্রথম দিনেই ড্রোন হামলায় নিহত হন। পরিবার মরদেহ ফেরত ও দালালের বিচার দাবি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অস্ত্র তৈরিতে সহায়তার অভিযোগে চীন, হংকংসহ ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। অবৈধ ইরানি বাণিজ্যে সাহায্যকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। ইরানের ড্রোন উৎপাদন ক্ষমতা ও হরমুজ প্রণালী বন্ধের প্রেক্ষাপটও উল্লেখ করা হয়েছে।
যদিও ইরানের নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবু উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সমুদ্রের মাইন এই প্রণালিকে বিপজ্জনক করে রেখেছে।
হরমুজ প্রণালীতে চলমান অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলএনজি এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এর অচলাবস্থা সরাসরি জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে। তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনে ব্যাঘাত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে তুলছে। এর পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধ কৌশলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ড্রোন প্রযুক্তি এবং অ্যালগরিদম-নির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু সামরিক সংঘাত নয়, বরং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আধিপত্যের লড়াই। হরমুজ সংকট দীর্ঘায়িত হলে খাদ্য নিরাপত্তা, শিল্প উৎপাদন এবং বৈশ্বিক বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। ফলে এই সংকটের দ্রুত সমাধান এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।