মাইক থেকে মুঠোফোন: বাংলাদেশে নির্বাচনী প্রচারে বিবর্তন ঘটছে যেভাবে
মাইক থেকে মুঠোফোন: বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রচারণার বিবর্তন ঘটছে যেভাবে
মাইক থেকে মুঠোফোন: বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রচারণার বিবর্তন ঘটছে যেভাবে
বইটা খুলতেই প্রথম পাতায় যেন একটা নরম, চুপচাপ বৃষ্টির ছোঁয়া লাগে। অলকানন্দা, যাকে সবাই অলকা বলে ডাকে। একজন অভিনেত্রী, কলেজজীবন থেকে শুরু করে সিনেমার জগতে তার যাত্রা।
একটা সিলের শব্দে নির্বাচিত হয় তোমার প্রতিনিধি, যে নেতা হয়ে তোমার এলাকার মানুষের কল্যাণের কথা বলবে।
আট দিনের একটা ফ্যামিলি হলিডে শেষে গতকাল ঢাকায় পৌঁছালাম আমরা চারজন কুয়ালালামপুর থেকে। খুব সহজ, সাধারণ এবং অত্যন্ত বোধগম্য একটি সেন্টিমেন্ট।
মার্কিন রাজনৈতিক গবেষক ডেভিড ইস্টনের মতে, রাজনৈতিক ব্যবস্থা টিকে থাকে মূলত ‘ডিফিউজ সাপোর্ট’ অর্থাৎ, ভোটারের আবেগগত সমর্থনের ওপর। এই সমর্থন আদায় করতেই ভোটের আগে রাজনীতিবিদেরা বিনয়, নম্রতা ও ঘনিষ্ঠতার প্রদর্শন করেন।
আমি তাঁদের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করি—ভোট দেবেন কাকে? একজন বলে, আপনি বলেন, কাকে ভোট দেব? এমন পাল্টা প্রশ্নে আমি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে যাই।
ওমুক প্রার্থী আসবে—মাঠ সাজানো হতো। ছোট ছোট লিফলেট দিয়ে বিয়েবাড়ির মতো রঙিন করে তোলা হতো চারপাশ। কখনো-বা মাঠের পাশে খিচুড়ি রান্না হতো। কী যে মজার খিচুড়ি!
‘দিনে কয়েকবার করে ভোট চাইতে আসে, তবে কাউকে বলিনি, ভোট কাকে দেব,’ তাঁর সাবলীল উত্তর।
গত ৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি ও ফলিত পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য দিনটি ছিল এক অনন্য অভিজ্ঞতার। ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ১১ তলা সুউচ্চ ভবনের আভিজাত্যের আড়ালে যে এক বিশাল কর্মযজ্ঞ চলে, তা নিজ চোখে প্রত্যক্ষ করার সুযোগ হয়েছে আমাদের।
‘নতুন বিশ্বব্যাধি’ হলো বিশ্বের সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে সুরক্ষার চেয়ে লাভের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব।
একটি নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে তার স্বচ্ছতার ওপর। নির্বাচনে কোনো কারচুপি হচ্ছে কি না, ভোটাররা ভয়ভীতিহীন পরিবেশে ভোট দিতে পারছেন কি না—এসব নিশ্চিত করতে ‘নির্বাচন পর্যবেক্ষণ’ একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পদ্ধতি।
টেকসই উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক শুদ্ধাচার বিষয়ে তরুণদের করণীয় নির্ধারণে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।