ইরানে সরকার পরিবর্তন হওয়াকেই ‘সবচেয়ে ভালো’ মনে করছেন ট্রাম্প
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর ঘোষণার মধ্যেই ট্রাম্প এমন মন্তব্য করলেন।
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি পাঠানোর ঘোষণার মধ্যেই ট্রাম্প এমন মন্তব্য করলেন।
ইরানি বিপ্লব দেশটিতে বড় ধরনের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।
সাম্প্রতিক দিনগুলোয় আলোচনার পরিধি ও স্থান নিয়ে মতভেদের কারণে বৈঠকটি হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিল।
ইরানে চলমান সর্বশেষ প্রতিবাদের ঢেউ শুরু হওয়ার তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে। এর মধ্যে দেশটি টানা ১০ দিনের বেশি সময় ধরে বাইরের দুনিয়া থেকে প্রায় পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন।
গত বছরের শেষ দিকে ইরানের একাধিক শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট এবং গত জুনে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্লান্তির সমন্বয়ে মানুষ ফুঁসে ওঠে।
ট্রাম্প গতকাল এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘এখন ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে।’
ইরানের ব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো, এর অভ্যন্তরীণ কঠোর সংহতি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ‘কয়েক হাজার’ মানুষের মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে জড়িত অপশক্তি দায়ী।
ইরান এখন যে পথে হাঁটছে, সেই পথে এর আগেও অনেকবার হেঁটেছে দেশটি। প্রায় ৪০ বছর ধরে দেশটির রাজপথগুলো মানুষের ক্ষোভ, আর্তচিৎকার আর হঠাৎ নেমে আসা নীরবতার সাক্ষী হয়ে আছে। এখানকার নাগরিকদের কাছে আন্দোলন তাই নতুন কিছু নয়।
সারা দেশে দ্রুত ইন্টারনেট চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
মাদুরোর মতো খামেনির পরিণতি হতে পারে, এ ধারণা গভীরভাবে ত্রুটিপূর্ণ, এমনকি বিপজ্জনকও।
অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া এই ক্ষোভ দ্রুতই রাজনৈতিক অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৮ জানুয়ারি দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পরই কড়াকড়ি আরোপ করে সরকার।