জাকাত, ফিতরা ও সদকা দেওয়ার পদ্ধতি
জাকাত নির্ধারিত আর্থিক ফরজ ইবাদত। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তাদের ধনসম্পদে আছে প্রার্থী ও বঞ্চিতের হক বা ন্যায্য অধিকার।’
জাকাত নির্ধারিত আর্থিক ফরজ ইবাদত। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘তাদের ধনসম্পদে আছে প্রার্থী ও বঞ্চিতের হক বা ন্যায্য অধিকার।’
পবিত্র কোরআনের বাণী, ‘আল্লাহ কোনো সত্তাকে তার সামর্থ্যের অধিক দায়িত্বভার চাপিয়ে দেন না।’
আল্লাহ পবিত্র। তিনি শুধু পবিত্র জিনিসই কবুল করেন। ইমানের প্রথম বাক্য হলো কালেমা তাইয়্যেবা।
মুসলমানদের কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশ অমান্য করলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও শাসকদের অপসারণের হুমকি দেওয়া হয় এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টির ভয় প্রদর্শন করা হয়।
রমজান মাস কোরআন অনুশীলনের সর্বোত্তম সময়। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘রমজান মাস, যে মাসে নাজিল করা হয়েছে আল কোরআন, মানুষের জন্য হিদায়াত রূপে এবং পথনির্দেশনার প্রমাণ ও সত্য-মিথ্যা পার্থক্য নিরূপণকারী হিসেবে।’
কবরের আজাব ভয়াবহ। তবে দয়ালু আল্লাহ তাঁর বান্দাদের একা ছেড়ে দেননি। এমন কিছু আমল শিখিয়ে দিয়েছেন, যা অন্ধকার কবরে আলোকবর্তিকা হয়ে দাঁড়াবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর নেতারা জান্নাত বিক্রি করে মা-বোনদের বিভ্রান্ত করছেন। জান্নাতের মালিক তো মহান আল্লাহ। জান্নাতে কে যাবেন, কে যাবেন না—তা নির্ধারণ আল্লাহর হাতে। তাহলে জামায়াতকে জান্নাত বিক্রির ঠিকাদারি কে দিল।’
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘যারা নিজের দল সামলাতে পারে না, তারা দেশও সামলাতে পারবে না। যারা নিজের দল সামলাতে পারে, তারাই ইনশা আল্লাহ দেশ সামলাতে পারবে।’
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের দুটি ভোট। প্রথম ভোটটা হবে গণভোট। গণভোটে “হ্যাঁ” মানে আজাদি, “না” মানে গোলামি। তাহলে ১২ তারিখে ইনশা আল্লাহ সমস্ত মানুষকে নিয়ে আমরা “হ্যাঁ” ভোটের পাল্লা তুলব।’
মূলত আল্লাহ তাআলা প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ১০ গুণ বাড়িয়ে দেন। সেই হিসেবে তিনটি রোজার সওয়াব ৩০টি রোজার সমান হয়ে যায়।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা রাজনীতিতে রাজার ছেলে রাজা হবে—এই ধারা পাল্টে দেব ইনশা আল্লাহ। একজন শ্রমিক ভাই কিংবা বোনের সন্তান মেধাবী হলে তার মেধা বিকাশের দায়িত্ব নেবে রাষ্ট্র।’
মুসলিম উম্মাহর আত্মিক গঠন ও সামাজিক বিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আল্লাহ–তাআলা এই দুই পর্যায়ে কোরআন নাজিল করেছেন। আয়াতের সঠিক মর্মার্থ বোঝার জন্য এটি অপরিহার্য।