ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছে দুটি সংগঠন।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছে দুটি সংগঠন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি ভিডিও ঘিরে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক তুঙ্গে।
গত শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ইরানে চালানো হামলার বিরুদ্ধে অবস্থা নিয়েছেন বেশির ভাগ মার্কিন নাগরিক। এমনটাই উঠে এসেছে পত্রপত্রিকার জনমত জরিপগুলোয়।
৪ মার্চ ভোরে শ্রীলঙ্কার দক্ষিণে আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রবেশের পর এটি ভয়াবহ হামলার শিকার হয়। শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনী এখন পর্যন্ত ৩২ জন নাবিককে জীবিত ও ৮০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
কুর্দি বাহিনীকে ইরানে হামলা করতে সরাসরি উসকানি দিয়েছেন ট্রাম্প।
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বারুদের গন্ধ। একদিকে ইসরায়েল আর যুক্তরাষ্ট্র, অন্যদিকে ইরান। শক্তিমত্তার দিক দিয়ে বিচার করলে এটি একটি অসম লড়াই। এটি কত দিন চলবে, কে জানে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন নৌবাহিনীর সাবমেরিন থেকে ছোড়া টর্পেডোর আঘাতে কোনো যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হলো।
নতুন দুই কার্গো এলএনজি কেনা হয়েছে। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি সাশ্রয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা।
দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের পথে মধ্যপ্রাচ্য
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের হারানোর পরও ইরানের পাল্টা আক্রমণ যুদ্ধের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিচ্ছে।
জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের ১১ দফা নির্দেশ
বর্তমান সময়ে বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করা প্রয়োজন বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।