
কুমিল্লা–১০: আপিলেও বিফল বিএনপির গফুর, তবে লড়তে পারবেন আরেক প্রার্থী মোবাশ্বের
একই আসনে বিএনপির আরেক প্রার্থী মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। হাইকোর্টের আদেশে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দসহ তাঁর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ খোলে।

একই আসনে বিএনপির আরেক প্রার্থী মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। হাইকোর্টের আদেশে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দসহ তাঁর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ খোলে।

মনিরামপুর উপজেলা নিয়ে যশোর-৫ আসন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের (একাংশ) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রশীদ আহমাদ।

আজ রোববার সকালে বরিশালের সার্কিট হাউসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সেল এবং ডিজিটাল ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় আবুল ফজল এ কথা বলেন।

নির্দলীয় সরকারব্যবস্থার অধীনে দেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। এটি ছিল পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

শনিবার রাতের দিকে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার গাজীপুর খান সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ১১–দলীয় জোটের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

প্রার্থীরা উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। কিন্তু ভোটারদের মনে উন্নয়নের চেয়ে বেশি চিন্তা এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিয়ে।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের নির্বাচনী এলাকায় সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী নুরুল হক নুর ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুনের একাধিক নির্বাচনী কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে প্রশাসন।

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী মামুনুর রশীদের পক্ষে কাজ করায় দলটির ৯ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

হাইকোর্টে বিফল হয়ে প্রার্থিতা ফিরে পেতে সর্বোচ্চ আদালতে লিভ টু আপিল করেছিলেন মঞ্জুরুল আহসান।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট মনোনীত প্রার্থী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমী একটি স্কুলের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান আল–জাজিরার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, কখনো একজন নারী তাঁর দলের প্রধান হতে পারবেন না। কেন?

এই এলাকাগুলো পড়েছে পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে।