নোয়াখালীতে জামায়াতের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার অভিযোগ, যা বলছে পুলিশ
নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জ শহরের সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
নোয়াখালীতে জামায়াতে ইসলামীর এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়েছে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচার চালানোর সময় দলটির নারী কর্মীদের হেনস্তা করছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। গতকাল শুক্রবার রাতে জেলা জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
এ আসনে প্রার্থী ৮ জন। ব্যানার–ফেস্টুন–বিলবোর্ডের প্রচারে এগিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রার্থী।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী তারেক রহমান নির্বাচনের পর তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব নাকচ করেছেন।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা–কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘আল্লাহ যদি কামিয়াব করেন, আমরা ১৮ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফোটাব। দুর্নীতি যখন থাকবে না, তখন সকল মানুষের মুখে হাসি ফুটবে।’
ফরিদপুর–৪ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সরোয়ার হোসেনকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরে দাঁড়ালেন।
এই আসনে প্রার্থী ১১ জন। ভোটার ৪ লাখের বেশি। নির্বাচনী এলাকার সব জায়গায় বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর ব্যানার–ফেস্টুন ও বিলবোর্ড রয়েছে।
ঢাকা-৭ আসন থেকে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রচারে এগিয়ে আছেন বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী।
দুই যুগ ধরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীকে যাঁরা ভোট দিয়ে আসছিলেন, তাঁদের একটি অংশ এখন নতুন এক রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ‘প্রতারক’ বলেছেন প্রবীণ রাজনীতিক ড. কামাল হোসেন, এমন একটি ফটোকার্ড ফেসবুকে ছড়ালেও তা আসলে মিথ্যা।