কিছু আসনে ‘টার্গেট’ করে ফল পাল্টে দেওয়া হয়েছে: নাহিদ ইসলাম
নির্বাচনে ফল ঘোষণার সময় সুনির্দিষ্ট আসন ‘টার্গেট’ করে ফলাফল পরিবর্তনের অভিযোগ করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
নির্বাচনে ফল ঘোষণার সময় সুনির্দিষ্ট আসন ‘টার্গেট’ করে ফলাফল পরিবর্তনের অভিযোগ করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বেশির ভাগ আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের সঙ্গে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান ব্যাপক ছিল।
চট্টগ্রামে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়েকটি আসনে নতুন মুখের জয়ই সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। প্রথমবার সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েই পাঁচজন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে চারজন বিএনপির ও একজন জামায়াতে ইসলামীর। ভোটাররা বলছেন, স্থানীয় বাস্তবতা ও সম্ভাবনা বিবেচনা করেই অনেকেই এই প্রার্থীদের ভোট দিয়েছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হওয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শফিউল আলম।
সুনামগঞ্জের প্রবীণ বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. নাছির চৌধুরী (৭৫) তাঁর ‘জীবনের শেষ নির্বাচনে’ জয়ী হয়েছেন।
গত ১৫ বছর বিরোধী দলের ওপর আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের কারণে জামায়াতের উত্থান ঘটেছে বলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন। আজ শুক্রবার সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়ি এলাকায় নিজ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৭৯ জন ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
গাজীপুর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান ২ লাখ ৮ হাজার ৬৮৮টি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহ্ আলম বকশী ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৫৩ ভোট পেয়েছেন।
নেত্রকোনার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। এ ছাড়া একটি আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী
ময়মনসিংহের ১১টি আসনের মধ্যে আটটিতে বিএনপি এবং একটি করে আসনে জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস জয় পেয়েছে।
ঢাকা-১৬ আসনের ভোটে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন।
লক্ষ্মীপুর বিএনপি-প্রভাবিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। দলটি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে জেলার চারটি আসনেই জিতেছিল। ২০১৪ সালে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচন বর্জন করে। একতরফা ওই নির্বাচনে সব আসন আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়। তবে আবারও জেলার সব কটি আসন জিতে ‘ঘাঁটি পুনরুদ্ধার’ করল বিএনপি।