এখনো হারেনি এশিয়ার কোনো দল
বড় দলগুলোর জয়ে যেমন ঘাম ছুটছে, তেমনি তথাকথিত ছোট দলগুলো দেখাচ্ছে একের পর এক ম্যাজিক।
বড় দলগুলোর জয়ে যেমন ঘাম ছুটছে, তেমনি তথাকথিত ছোট দলগুলো দেখাচ্ছে একের পর এক ম্যাজিক।
এবারের বিশ্বকাপের আগে আরও ১৮টি বিশ্বকাপ খেলেছে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচগুলোতে আর্জেন্টিনা কেমন করেছে? সেটাই দেখে নেওয়া যাক—
হাসিখুশি ভদ্রমহিলা গাড়িটা পার্ক করে রেখে বরফে ঢাকা চিলতে মাঠ পেরিয়ে জুতায় ভরা বরফকুচি ঝাড়তে ঝাড়তে দরজার ওপাশ থেকেই পিসির সঙ্গে গল্প জুড়ে দেন।
চোট কাটিয়ে আজই দলের সঙ্গে অনুশীলনে ফেরার কথা ছিল; কিন্তু পারেননি। সতীর্থরা যখন অনুশীলন করেছেন তখন তিনি গেছেন মেডিক্যাল চেকআপে।
বাবা-মা তো সেখানে দূর অস্ত! গুগল করলে দেখায়, ভোজিনিয়ার মা–বাবার সুনির্দিষ্ট নাম মিডিয়ায় বা অফিশিয়ালি প্রকাশ হয়নি।
প্রথমবার বিশ্বমঞ্চে নাম লিখিয়েই অভিষেক ম্যাচে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছিল সেনেগাল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে যা ছিল অন্যতম বড় অঘটন।
বিশ্বকাপের পঞ্চম দিনে ম্যাচ হয়েছে চারটি, সব কটিই শেষ হয়েছে সমতায়। এই চারটি ম্যাচের গল্প দেখুন ছবিতে।
ম্যাচ শেষেই তাদের লস অ্যাঞ্জেলেস ছেড়ে তড়িঘড়ি করে মেক্সিকোর তিহুয়ানায় অবস্থিত ট্রেনিং ক্যাম্পে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে।
দুই নামের মাঝখানে কোথাও দাঁড়িয়ে আছে আর্জেন্টিনা ফুটবলের সমস্ত ইতিহাস, সমস্ত যন্ত্রণা, সমস্ত উৎসব।
বিশ্বকাপের পঞ্চম ম্যাচ ডের চারটি ম্যাচই শেষ হয়েছে সমতায়। আর এই ম্যাচগুলোয় তৈরি হয়েছে চমকপ্রদ কিছু পরিসংখ্যানের।
চোটের কারণে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি নেইমার। মরক্কোর বিপক্ষে সেই ম্যাচে ১–১ ড্র করেছিল ব্রাজিল।
এবারের আগে ১৯৮২ ও ২০১০ বিশ্বকাপে খেলেছিল নিউজিল্যান্ড। প্রথমবার তিন ম্যাচে হারলেও পরেরবার তিনটিতেই ড্র করেছিল দলটি।