অর্থনীতির চিকিৎসায় দরকার সংস্কার
বাস্তবতা হলো, কোনো প্রতিষ্ঠানের জীবনের প্রতিটি ধাপ যেন বাধা অতিক্রমের পথ পেরোতে হয়। ব্যবসা শুরু করতে হলে নিবন্ধন ও অনুমোদনের পেছনে ছুটতে হয়।
বাস্তবতা হলো, কোনো প্রতিষ্ঠানের জীবনের প্রতিটি ধাপ যেন বাধা অতিক্রমের পথ পেরোতে হয়। ব্যবসা শুরু করতে হলে নিবন্ধন ও অনুমোদনের পেছনে ছুটতে হয়।
এবারের বাজেটে কিছু নতুনত্ব আছে। যেমন অনেক ব্যবসা খাত থেকে অগ্রিম কর (এআইটি) তুলে দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এটা ভালো সিদ্ধান্ত।
ড. সেলিম রায়হান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সানেমের (সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং) নির্বাহী পরিচালক।
রাষ্ট্র যখন বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে বিদেশি সংস্থাগুলোর কাছ থেকে শর্তযুক্ত ঋণ নেয়, তখন প্রকারান্তরে পুরো জাতিই সেই ঋণের জালে বন্দি হয়ে পড়ে।
অর্থমন্ত্রী যে বাজেট ঘাটতি করেছেন, তার ৪৬ শতাংশ অর্থই আসবে ব্যাংক খাত থেকে।
যাঁরা বিদেশে থাকার কারণে নির্ধারিত সময়ে আয়কর রিটার্ন দিতে পারেন না, প্রস্তাবিত বাজেটে তাঁদের রিটার্ন দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। তিন ধরনের করদাতারা এ সুযোগ নিতে পারবেন।
আপনি ১২০ তলা ভবন করার স্বপ্ন দেখছেন, অথচ আপনার পকেটে আছে মাত্র ২০ টাকা। তাহলে তো সেই ভবন আপনি করতে পারবেন না। তাই যতটুকু আয়, সে অনুযায়ী বাজেট করা দরকার ছিল।
চাল, গম, আটা, ভোজ্যতেল, চিনি, মাছ, মাংস, পেঁয়াজ, আদাসহ প্রায় ৬০টি কৃষি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎসে কর কমানোর ঘোষণা বাজেটে।
প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আছে ব্র্যাক, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি, অটিজম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন ঢাকা এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল।
সুযোগ–সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিকস শিল্প বিশেষ অগ্রাধিকার পেয়েছে। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক গাড়ি, সেমিকন্ডাক্টর, জুয়েলারি, জাহাজ, ড্রেজারসহ রপ্তানিমুখী বিভিন্ন খাত শুল্ক ও করছাড়ের মতো সুবিধা পেয়েছে বাজেটে।
এবারের বাজেটে তৈরি পোশাকশিল্পের দুটি প্রধান প্রত্যাশা ছিল—করব্যবস্থার সংস্কার এবং চলমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের প্রেক্ষাপটে বিকল্প জ্বালানি
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।