
গণমাধ্যম কমিশন হবে ফ্যাসিবাদ-উত্তর বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান: তথ্যমন্ত্রী
সাংবাদিকদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার, জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।

সাংবাদিকদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার, জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলতে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বহু মতের সহাবস্থানের প্রশ্ন আসে।

দ্য ডিসেন্টের লেখাটি তীক্ষ্ণ, রাজনৈতিকভাবে আকর্ষণীয় এবং কিছু ক্ষেত্রে সংবাদ শিরোনামের ভাষা নিয়ে জরুরি অস্বস্তি তৈরি করে। কিন্তু ফ্রেমিং বিশ্লেষণ হিসেবে এটি দুর্বল।

কমিশনকে হতে হবে সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত এবং প্রকৃত অর্থেই স্বাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। এটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকলে লাভ হবে না।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় সংকট নিয়ন্ত্রণের অভাব নয়, বরং সংকট হলো আস্থা, স্বচ্ছতা, পেশাগত নিরাপত্তা এবং জবাবদিহিমূলক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অভাব।

মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের দাবি, অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব ও নীতিগত স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ অর্থনীতিবিদদের।

নাগরিকের জীবনমান উন্নয়ন ও নাগরিক সুযোগ–সুবিধার নিশ্চিয়তা সহ একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ক্যারিশমাটিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব একটি প্রভাবকের ভূমিকা পালন করে। স্বাধীনতার পর থেকে এর অভাব আমরা অনুধাবন করছি।

স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতায় ২৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। এর মধ্যে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে ধর্ষণের পর হত্যার কারণে।

বিশ্বকাপে মাঠ ও মাঠের বাইরে কঠিন নিয়ম

২০২৬ বিশ্বকাপে মাঠ ও মাঠের বাইরে খেলোয়াড়দের ঠিক কী কী করার স্বাধীনতা আছে, আর কোন কোন জায়গায় রয়েছে কঠোর ‘লক্ষণরেখা’।

আজ শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স (স্বাধীনতা কমপ্লেক্স) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইসরাক হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে কিছু নাম সময়কে অতিক্রম করে কেবল লেখকের পরিচয় নয়, বরং একধরনের নান্দনিক ও মানবিক প্রতীকে পরিণত হয়। ফেদেরিকো গার্সিয়া লোরকা (৫ জুন ১৮৯৮—১৮ আগস্ট ১৯৩৬) তেমনই এক নাম—যিনি কবিতা, নাটক ও প্রতীকের ভাষায় জীবন, মৃত্যু ও স্বাধীনতার গভীরতম সংকটকে রূপ দিয়েছেন। ৫ জুন তাঁর জন্মদিনে ফিরে দেখা তাঁকে কেবল স্মরণ করা নয়; বরং আধুনিক ইউরোপীয় সাহিত্যের এক ট্র্যাজিক কিন্তু উজ্জ্বল অধ্যায়কে নতুন করে পাঠ করা।