
মার্কিন নাগরিকদের এখনই মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ ছাড়ার তাগিদ
আজ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের (কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তাগিদ দেওয়া হয়।

আজ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের (কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তাগিদ দেওয়া হয়।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা চলাকালেই এই জরিপ চালানো হয়। এই অভিযানে কোনো মার্কিন সেনার হতাহতের খবর আসার আগেই জরিপের কাজ শেষ হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে মনে করেন বিশ্বনেতারা।

ইরান উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

ইসরায়েলের একটি বিমানঘাঁটিতে অন্তত ১২টি মার্কিন এফ-২২ যুদ্ধবিমান অবতরণ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগ হাকাবির মন্তব্য সম্পর্কে প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য দেয়নি।

সাম্প্রতিক বিক্ষোভে শুধু জানুয়ারিতেই নিহত মানুষের সংখ্যা ৩০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে। এর মানে, সামনে আরও বহু শোকসভা এবং সম্ভাব্য বিক্ষোভ।

‘বিদেশি সরকার কিংবা আন্তর্জাতিক চাপের কাছে আমরা মাথা নত করব না’—১৯৫১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাঁড়িয়ে এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক। সাত দশকের বেশি সময় পেরিয়ে আজ, যখন একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরির বহর ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে মিসাইলবাহী জাহাজ, তখন মোসাদ্দেকের সেই কথা ইতিহাসের উদ্ধৃতি নয়, বরং চলমান বাস্তবতার ভাষ্য বলে মনে হয়।

ইরানি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, দেশটিতে সহিংসতা উসকে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘বিদেশি এজেন্ট’ মোতায়েন করেছে, যাতে পরবর্তীকালে (দেশটির বিরুদ্ধে) সামরিক শক্তি ব্যবহারের অজুহাত তৈরি করা যায়।