হজরত হাসান (রা.)-এর জন্ম, আইন জালুত বিজয়
১৫ রমজান দিনটি ঘটনাবহুল। একদিকে যেমন এই দিনে মহানবী (সা.)–এর দৌহিত্রের আগমনে ঘটে, তেমনি এটি বিশ্বকে মঙ্গোলদের হাত থেকে রক্ষার ঐতিহাসিক সাক্ষী।
১৫ রমজান দিনটি ঘটনাবহুল। একদিকে যেমন এই দিনে মহানবী (সা.)–এর দৌহিত্রের আগমনে ঘটে, তেমনি এটি বিশ্বকে মঙ্গোলদের হাত থেকে রক্ষার ঐতিহাসিক সাক্ষী।
যেখানে বছরের বেশিরভাগ সময় সূর্য লুকোচুরি খেলে এবং তাপমাত্রা হিমাঙ্কের অনেক নিচে থাকে, সেখানে রমজান পালন করা যেন এক রোমাঞ্চকর আধ্যাত্মিক যুদ্ধ।
রমজানের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে বাহরাইন মেতে ওঠে কুরকাউন উৎসবে। শিশুরা ঐতিহ্যবাহী রঙিন পোশাক পরে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়ায় এবং লোকসংগীত গায়।
তবুও সুদানিরা তাদের আতিথেয়তা ছাড়েনি। বাস্তুচ্যুত মানুষগুলোও তাবুর সামনে ছোট করে পাটি বিছিয়ে ইফতার ভাগ করে নিচ্ছেন, যেন তা তাদের টিকে থাকার একমাত্র অবলম্বন।
অনেক ক্ষেত্রে পণ্য বিক্রি করা হলেও তার দাম রাখা হয় আকাশচুম্বী। চাল, ডাল বা তেলের মতো সাধারণ খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করতেও তাদের গোপনে বা অন্যের সাহায্য নিয়ে বাজারে যেতে হয়।
ইবনে তুলুন চেয়েছিলেন আল্লাহর ঘর যেন জনসাধারণের করের টাকায় তৈরি না হয়। পরে তিনি একটি গুপ্তধন খুঁজে পান, যার পরিমাণ প্রায় ১২ লক্ষ দিনার।
শত বছরের পুরোনো প্রথা মেনে পাহাড়ের চূড়ায় আগুন জ্বালিয়ে ইফতারের সময় ঘোষণা করা হয়। আগুনের শিখা দেখে গ্রামের মানুষ বুঝতে পারে রোজা ভাঙার সময় হয়েছে।
৬৫৫ হিজরির ১১ রমজান (১২৫৭ খ্রিষ্টাব্দ) বাগদাদের আব্বাসীয় খলিফা মুতাসিম বিল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের নির্দেশ পাঠিয়ে মঙ্গোল নেতা হালাকু খান এক চরমপত্র প্রদান করেন।
কোরআন রমজানে এখানকার প্রতিটি মসজিদ মুখরিত থাকে কোরআন তিলাওয়াতে। বিশেষ করে শিশুদের উৎসাহিত করার জন্য পাড়ায় পাড়ায় হাফেজদের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ায় রমজান মানে জাতীয় উৎসবের মাস। ১৮ হাজার দ্বীপের এই বিশাল দ্বীপপুঞ্জে রমজান আসে সংস্কৃতির বিচিত্র রঙ মেখে।
যেখানে বিশ্বের অনেক দেশে রমজানে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ে, সেখানে আফগান সরকার এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষের কষ্টের কথা ভেবে দাম কমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন।
জার্মানির শহরগুলোতে এখন আর ইফতার কেবল ঘরের চার দেয়ালে বা মসজিদের ভেতরে সীমাবদ্ধ নেই; তা ছড়িয়ে পড়েছে রাজপথে, এমনকি চার্চের আঙিনাতেও।