পশ্চিম তীর দখলে ইসরায়েলের তৎপরতার বিরোধিতা–সমালোচনা
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর তৎপরতা শুরু করেছে ইসরায়েল।
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর তৎপরতা শুরু করেছে ইসরায়েল।
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ আটটি দেশ গতকাল এক যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলের এমন পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে।
গত জানুয়ারির শেষ দিকে ট্রাম্প শান্তি পর্ষদ গঠন করেন।
‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্টিকার সাঁটানোর অভিযোগে এক ব্রিটিশ দম্পতিকে দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গার্দিওলা বলেছেন, বিশ্বজুড়ে চলমান সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের যন্ত্রণা তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দেয়। সে কারণেই মানবিক ইস্যুতে তিনি কথা বলা চালিয়ে যাবেন।
সংস্থাটি আরও বলেছে, রাফা সীমান্ত খুলে দেওয়ার অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক প্রকল্প শুরু হয়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে আকাশ, স্থল ও জলপথে গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েল।
ইসলামি ন্যাটোর আসল কাজ জায়নবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো নয়। এর মূল কাজ মুসলিম জনতাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা।
চোখ বন্ধ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অস্ফুট স্বরে বললেন, ‘আমরা কবিরা স্বপ্ন দেখি যে ইহুদিরা জাতীয়তাবাদের পশ্চিমা ধারণা থেকে নিজেদের মুক্ত করতে পারলে ফিলিস্তিনকে তারা গড়তে পারবে।’
গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি শুরু হলেও ইসরায়েল হামলা অব্যাহত রেখেছে।
ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ৭০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। হামলায় গাজার বেশির ভাগ ভবন ধ্বংস কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পর্ষদে যোগ দেবে না স্পেন।