
আজ হরমুজ, কাল কি তাইওয়ান?
পৃথিবীর মোট পরিধি প্রায় ২৫ হাজার মাইল বা ৪০ হাজার কিলোমিটার। এ তথ্য আমরা ছোটবেলা থেকেই জানি।

পৃথিবীর মোট পরিধি প্রায় ২৫ হাজার মাইল বা ৪০ হাজার কিলোমিটার। এ তথ্য আমরা ছোটবেলা থেকেই জানি।

যুক্তরাষ্ট্র এখন আবার চাঁদে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই মহাকাশে ভিনগ্রহী বা ইউএফও নিয়ে জনমনে কৌতূহল নতুন করে দানা বাঁধছে।

একদিন রাস্তায়, সূর্যের তাপে পাথরগুলো গরম হয়ে উঠেছে। তিনি সেজদায়। ঠিক তখনই শত্রুরা তার ওপর ফেলে দিল উটের পচা নাড়িভুঁড়ি। পৃথিবীটা যেন একটু থেমে গেল।

আচ্ছা, আমাদের জীবন তো এমনই। একদিন যে যত্ন নিয়ে এ পৃথিবী আমাদের বরণ করেছে আবার তেমনি একদিন হারিয়েও যাব সবার অগোচরে!

নতুন বছর যুদ্ধহীন হোক, মানবতার জয় হোক, পৃথিবীর সব ভালো মানুষগুলো খুব ভালো থাকুন।

আর্টেমিস–২ অভিযানের চার নভোচারী শনিবার সকালে প্রশান্ত মহাসাগরে নিরাপদে অবতরণ করেছেন। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় মহাকাশযানের গতি ছিল ঘণ্টায় ৪০ হাজার কিলোমিটার এবং তাপমাত্রা ২৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি গত পাঁচ দশকের পর প্রথম চাঁদপরিক্রমণ অভিযান।

বিশ্ব গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এমন অবস্থা চলতে থাকলে অল্প কিছুদিনের মধ্যে পৃথিবীর অনেক দেশ তীব্র তেলসংকট পড়বে। এমনকি তেলশূন্যও হয়ে পড়তে পারে।

নাসার আর্টেমিস-২ অভিযানে চাঁদের পেছনে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন অবস্থায় নভোচারীদের অনুভূতি জানতে চেয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তাঁরা পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী জায়গায় পৌঁছে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। অভিযান শেষে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ট্রাম্প।

আর্টেমিস–২ অভিযানের নভোচারীরা চাঁদের পেছন দিকে পৌঁছে পৃথিবী থেকে ৪ লাখ ৬ হাজার ৭৮৮ কিলোমিটার দূরত্বে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। এটি অ্যাপোলো–১৩-এর ৫৬ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙেছে।

ধূমকেতু সি/২০২৬ এ১ (ম্যাপস) সূর্যের পৃষ্ঠ থেকে মাত্র এক লাখ মাইল দূরে গিয়ে অক্ষত ফিরে এসেছে। এটি এখন পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যাচ্ছে। ১২ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিম আকাশে দিগন্তের কাছে এর উপস্থিতি লক্ষ করা সম্ভব।

জাপানের হায়াবুসা-২ মিশনের রিউগু গ্রহাণুর ধুলোয় ডিএনএ-আরএনএ গঠনকারী পাঁচটি নাইট্রোজেন বেস আবিষ্কৃত হয়েছে। এই আবিষ্কার পৃথিবীতে জীবনের উৎপত্তি মহাকাশ থেকে হতে পারে এমন সম্ভাবনাকে শক্তিশালী করে। নেচার অ্যাস্ট্রোনমিতে প্রকাশিত গবেষণায় এসব উপাদানের অস্তিত্ব নিশ্চিত হয়েছে।

আর্টেমিস-২ মিশনের নভোচারীরা চাঁদের অপর পাশ ঘুরে আসার সময় প্রায় ৪০ মিনিট পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন থাকবেন। এটি অ্যাপোলো মিশনের নভোচারীদের নিঃসঙ্গতার স্মৃতি জাগিয়ে তুলেছে। ভবিষ্যতে চাঁদের চারপাশে স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক এই সমস্যার সমাধান করবে।