প্রেতপুরীতে রাম: ভারতীয় অনুপ্রেরণার উৎস
মাইকেল তাঁর মহাকাব্যে জীবন থেকে চরিত্র না নিয়ে বরং চরিত্রদের জীবন দান করে বিশ্বস্তভাবে অটল থাকেন হিন্দু পুরাণের জগতে।
মাইকেল তাঁর মহাকাব্যে জীবন থেকে চরিত্র না নিয়ে বরং চরিত্রদের জীবন দান করে বিশ্বস্তভাবে অটল থাকেন হিন্দু পুরাণের জগতে।
‘বোর্হেসের অপ্রকাশিত বা অগ্রন্থিত’ শীর্ষক গ্রন্থগুলোয় যেসব রচনা আছে তার কোনোটিতেই রবীন্দ্রনাথ বিষয়ক এই বক্তৃতাটি নেই।
বিষাদ-সিন্ধু শুধু বহুলভাবে পঠিত হয়নি, বহুলভাবে শ্রুতও হয়েছে। সাধু গদ্য কেন পাঠকপ্রিয় হলো কিংবা নিরক্ষর শ্রোতার কানেও ‘স্বাদু’ হয়ে উঠল, সেটি একটি প্রশ্ন বটে!
লেনিন কেন দার্শনিকদের তালিকায় অনুপস্থিত, যদিও দর্শনচর্চা ও রাষ্ট্রচিন্তায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য?
বাংলাদেশের দুর্ভাগ্য! ‘এত কথা বলার দরকার কী’—এই বাক্যটিই আজও এ দেশের রাজনীতির সবচেয়ে শক্তিশালী প্রভাবক। কারও হয়তো প্রশ্ন করতে মন চাইছে, কিন্তু সব প্রশ্ন কি করতে পারছে?
‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ ও শিখা গোষ্ঠীর নায়কদের মধ্যে আপনিই একমাত্র আমার স্বচক্ষে দেখা মানুষ। দেখেছি দেশভাগের পরে, ১৯৫০-এর দশকে।
ঠুমরি এক দীর্ঘ, ধীর এবং ধারাবাহিক বিবর্তনপ্রক্রিয়ার ফল, যা গুপ্ত যুগ (খ্রিষ্টীয় চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ শতক) পর্যন্ত প্রসারিত, তারও আগে হতে পারে।
প্রাচ্যীয় বর্ণনাত্মক শিল্পে, বিশেষত বাংলা লোকনাট্যে, গল্প বলার ভঙ্গিটি বহুলাংশে অনুলম্ব, যেখানে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যে এক মসৃণ যাতায়াত দেখা যায়।
বামপন্থীদের অবশ্যই প্রথমে পুরোনো চেহারার বিপ্লবী বা বিদ্রোহী ঘটনার প্রতি মুগ্ধতা ছেড়ে দিতে হবে।
গতকাল ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে রুবিওর লেখা দীর্ঘ একটি মতামত নিবন্ধ প্রকাশ করা হয়েছে।
বাবাদের ত্যাগ ও ভালোবাসার গল্প নিয়ে এই নিবন্ধ।
২০২৪ সালের মার্চে ওজতুর্কসহ চারজন টাফটস ডেইলি পত্রিকায় একটি মতামতধর্মী নিবন্ধ লেখেন, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’ স্বীকার করার আহ্বান জানানো হয়।