কারাবন্দীরা গাইলেন গান, দর্শনার্থীরা পেলেন ফুল
সকাল ৯টায় ঈদের জামাত এবং নামাজ শেষে রোজার ঈদের সেই চিরাচরিত গান ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ...’ তাঁরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন।
সকাল ৯টায় ঈদের জামাত এবং নামাজ শেষে রোজার ঈদের সেই চিরাচরিত গান ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ...’ তাঁরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন।
সে এক হইহই কাণ্ড রইরই ব্যাপার। মাঠে লেগে গেছে ঈদের ধুম। ঈদের নামাজ শেষ না হতেই নতুন জামাকাপড়ে সাজা কিশোর–কিশোরীর মতো মাঠ সাজছে নানা প্যাভিলিয়নে, ব্যানারে, পোস্টারে।
এর আগে নিজের সংসদীয় আসন ঢাকা–১৫–এর আওতাভুক্ত মিরপুরের ৬০ ফিট রাস্তাসংলগ্ন মনিপুর গার্লস হাইস্কুল মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন শফিকুর রহমান।
মধ্যপ্রাচ্যের এক যুদ্ধে টালমাটাল এখন বিশ্ব; সেই যুদ্ধের আঁচ লেগেছে বাংলাদেশেও। তাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে মোনাজাতেও ধ্বনিত হলো যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান।
চট্টগ্রাম নগরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দানে। বিভিন্ন দলের রাজনীতিকেরা সবার সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের জামাতে অংশ নেন। নামাজ শেষে কোলাকুলিও করেন তাঁরা।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে আটকে থাকা জাহাজেই ঈদের নামাজ আদায় করেছেন বাংলাদেশি নাবিকেরা। ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোনের হামলার সতর্কতার মধ্যে দিনটি কাটিয়েছেন স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে।
নামাজ শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
১৯৭৮ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে ওই মসজিদে নামাজ আদায় করেছিলেন।
বছর বছর ঈদ আসে। ঈদ ধর্মীয় উৎসব। তবে ধর্মীয় তাৎপর্য ছাপিয়েও ঈদ উৎসবের প্রভাব জনজীবনের অনেক গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত। সে কারণেই ঈদে ইবাদত হয়, নামাজ হয়, কোলাকুলিও হয়।
নিয়মিত একটি নির্দিষ্ট মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়া বা নামাজের পর কুশল বিনিময় করা ‘কেউ নেই’ অনুভূতিটিকে ‘কেউ না কেউ চেনে’—এই স্বস্তিতে রূপ দেয়।
ইসলাম শ্রম ও শ্রমিকের মর্যাদা এবং অধিকার সম্পর্কে যথাযথ গুরুত্ব দিয়েছে। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে: ‘অতঃপর যখন নামাজ সম্পন্ন করা হবে, তখন তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করো, আশা করা যায় তোমরা সফল হবে।’ (সুরা-৬২ জুমুআহ, আয়াত: ১০)
হজরত উম্মে ছালামাহ (রা.) বর্ণনা করেছেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) তিনটি আমল জীবনে কখনো পরিত্যাগ করেননি—তাহাজ্জুদ নামাজ, প্রতি চান্দ্রমাসের তেরো, চৌদ্দ ও পনেরো তারিখ “আইয়ামে বিদ” এর রোজা পালন ও রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ।’