
শীতের শুরুতে
লাজুক গুইসাপ শীতের সংশয় নিয়ে আস্তে-ধীরে পার হয় বনপথ।

লাজুক গুইসাপ শীতের সংশয় নিয়ে আস্তে-ধীরে পার হয় বনপথ।

প্রতিবার শীতের শিরোনামটা আমি তিনজনকে বলি হৃৎপিণ্ড কাঁপানো এবার বাতাসেই বললাম: তিনে—

মুহূর্তরা হারিয়ে না গেলে দিতে পারত সাক্ষ্য

শোনো—জ্যোৎস্নার টুপি পরা অভিসারী ঘুঘুদের ধূলিপিণ্ড আয়না—রাস্তা পেরোলেই দেখবে একটি স্বপ্ন দীক্ষিত মেধাবী বিড়াল আপেল খাচ্ছে একাকী।

লোকে বলে, জল ভাটিতে গড়ায়, দেশ ভরে গেছে খরা ও চরায়, মরু-সাহারার হাহাকারে-বাঁচা বৃক্ষের মূলে মাটি-জল নাই—

বিস্মৃত হয়ে গেছে বাড়ি বাড়ি হেঁটে যাওয়া সম্মিলিত সোয়েটার, নিরুপদ্রব শীতের ছুটি, সংহতি আর বনভোজনের গূঢ় বনেরা।

কারণ আমার শীতের পোশাক রেখে এসেছি মন-খারাপ-করা শীতবরফের দেশে!

তবু বেঁচে আছে জীবন কারণ, এখনো না–বলা রয়ে গেছে অনেক কিছু।

প্রাতিষ্ঠানিক বৌদ্ধধর্মের রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে ১২৪৩ সালে তিনি দূরবর্তী ইহি প্রদেশের এক পার্বত্য অঞ্চলে ‘চিরন্তন শান্তির মন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেন।

তোমার নীরব ঠোঁটে চুম্বনের দাগ লেগে আছে স্খলনের চিহ্ন মুছে, মৃতের রক্ষক এই চাঁদ আর আমি; ঘুমের ওপর নড়ে ছায়া, দূরত্বে তোমার...

যা কিছু বেশি, যা কিছু অনন্ত যা কিছু গৌরব, যা কিছু দিগন্ত যা কিছু শ্রেষ্ঠ, যা কিছু জীবন্ত

ফুরিয়ে গেলে সকল কুসুমিত জিজ্ঞাসা— নখের ছায়া ভুলে পাড়ি দিয়ো অক্ষুণ্ন বিষাদ।