ইস্তফায় নারাজ মমতা, সরকার গড়তে তোড়জোড় বিজেপির
সংবাদ সম্মেলনে মমতা বলেছেন, ভোটে হারেননি। চক্রান্ত করে, ১০০ আসন লুট করে জবরদস্তি করে হারানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে মমতা বলেছেন, ভোটে হারেননি। চক্রান্ত করে, ১০০ আসন লুট করে জবরদস্তি করে হারানো হয়েছে।
ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরোধিতায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঙালি জাত্যভিমানে বাতাস দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে জিততে চেয়েছিলেন।
গতকাল সোমবার রাজ্যে বিজেপির জয়ের খবর আসার পর কালীঘাটে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরে হামলা চালান একদল বিজেপি সমর্থক।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গতকাল গণনা করা হয়। ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি ২০৬ আসনে জয়ী। তৃণমূল জয়ী ৮১ আসনে।
সমকালীন ভারতে আর কোনো রাজ্যের নির্বাচন এতটা উত্তেজক ছিল না—এবার ২০২৬ সালে যা হলো। পশ্চিমবঙ্গের কোনো নির্বাচনও বাংলাদেশে এত মনোযোগ কাড়েনি অতীতে। এতসব আকর্ষণের কারণ, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গ বিজয়কে মর্যাদার লড়াই বানিয়ে ফেলেছিল।
পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
বিজেপি না তৃণমূল—পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বসছে কোন দল? এখন পর্যন্ত প্রাথমিক গণনায় বিজেপি এগিয়ে আছে।
মমতা এখনো জয় নিয়ে আশাবাদের কথা জানান। মন খারাপ না করে কর্মীদের লড়াই করতে আহ্বান জানান। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এটিকে বাংলার মানুষের গণতন্ত্রের জয় বলে অভিহিত করেন।
বিজেপির জয় হোক বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের—উভয় সম্ভাবনাই ভারতের জাতীয় ও প্রাদেশিক রাজনীতির দশকের পর দশক ধরে চলা উদ্বেগ ও উত্তেজনাকে নতুন করে উসকে দিচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল সোমবার। জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল ও বিজেপি।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল দুই শ আসনে জয় পাবে বলে দাবি করেছেন মমতা।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পোস্টাল ব্যালটে অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়েছে।