আমরা লেজ ধরে টান দেব না, কান ধরে টান দেব: জামায়াতের আমির
রাজনীতির জায়গা স্বচ্ছ হলে গোটা সমাজ স্বচ্ছ হয়ে যাবে মন্তব্য করে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘মাথা যদি ঠিক থাকে, গোটা শরীর ঠিক হয়ে যাবে।’
রাজনীতির জায়গা স্বচ্ছ হলে গোটা সমাজ স্বচ্ছ হয়ে যাবে মন্তব্য করে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘মাথা যদি ঠিক থাকে, গোটা শরীর ঠিক হয়ে যাবে।’
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে স্রোত তৈরি হয়েছে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে, পরিবর্তনের পক্ষে। কিছু মানুষের এ অবস্থা দেখে তাদের মাথা গরম হয়ে গেছে।’
মঙ্গলবার সকালে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় এবং দুপুরে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
তারেক রহমান বলেন, তাদেরও তো দুজন সদস্য বিএনপির সরকারে ছিল। বিএনপি যদি এতই খারাপ হয় তাহলে ওই দুই ব্যক্তি পদত্যাগ করে চলে আসেনি কেন।
‘নারী হওয়ায় আমাদেরও বুলিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে। তাহলে বাংলাদেশের কোন নারী নিরাপদ?’ গতকাল সোমবার বিকেলে নাটোরের বাগাতিপাড়ায় এক পথসভায় উপস্থিত নারীদের উদ্দেশে এ প্রশ্ন রাখেন নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী ফারজানা শারমিন (পুতুল)।
একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল বিকাশে টাকা পাঠিয়ে নিজেদের পক্ষে ভোট চাইছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম।
আবদুল বাতেন বলেন, ‘অতীতের দলগুলোর দ্বারা মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন হয়নি।’
পাবনা–৫ (সদর) আসনে নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা–কর্মীদের মধ্যে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর ও হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জোটের প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক (নূর)।
ঢাকা-৮ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আবার ডিম ছোড়া হয়েছে।
প্রার্থীরা একে অন্যের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু দেখা হওয়া মাত্রই কোলাকুলিতে মিললেন সবাই। আজ মঙ্গলবার সিলেটের পাঁচ তারকা গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে আয়োজিত এক নির্বাচনী সংলাপে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমানের পক্ষে প্রচারে অংশ নেওয়ায় দুই উপজেলার ১৭ জন নেতাকে দলটি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।