
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনলেন আসিফ মাহমুদ
মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের নির্দিষ্ট দলের প্রতি প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব দেখা গেছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি।

মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের নির্দিষ্ট দলের প্রতি প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব দেখা গেছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি।

বান্দরবানে আসন সমঝোতা নিয়ে এনসিপি–জামায়াতের মধ্যে দ্বন্দ্ব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ঘোষিত তফসিলের বৈধতা নিয়ে রিট হয়েছে।

হাইকোর্টের রায়ের পর পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসন আগের মতো পুনর্বহাল করে নির্বাচন কমিশনের গত ২৪ ডিসেম্বর সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশটুকু স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে গণসংহতি আন্দোলন।

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করে আসন ভাগাভাগির আলোচনা এগিয়ে চললেও নির্বাচনে জিতলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, সে বিষয়ে কোনো ফয়সালা এখনো হয়নি বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৈয়দা নীলিমা দোলা।

আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম।

বিএনপির কাছে ছাড় পাওয়া বগুড়া-২ আসনের পাশাপাশি ঢাকা-১৮ আসনেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। বগুড়ায় যাচাই-বাছাইয়ে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও এক দিন পর ঢাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।

আজ শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

মনোনয়নপত্র বাতিলের পর ক্ষোভ জানিয়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি অভিযোগ করেছেন, চট্টগ্রামে মনোনয়নপত্র যাচাইয়ের সময় তাঁর প্রস্তাবক ও সমর্থককে অপহরণ করা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের হয়ে ফেনী-২ (সদর) আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মজিবুর রহমানের বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৪৩ টাকা। এর মধ্যে টেলিভিশনে টক শো করেই তিনি আয় করেছেন ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা তাঁর বার্ষিক আয়ের প্রায় অর্ধেক।