
বিক্ষোভে উত্তাল ইরানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬২
নিহত হয়েছেন এমন ২২ জনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে বিবিসি ফারসি।

নিহত হয়েছেন এমন ২২ জনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে বিবিসি ফারসি।

ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের বর্তমান সরকারকে হটাতে তাদের ভেতরের একটি অংশের সঙ্গে সমঝোতা করে থাকতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে ইরানে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির ৪০ বছরের শাসনের পতন ঘটে। তখন তাঁর বড় ছেলে রেজা পাহলভির বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। তেলসমৃদ্ধ হাজার বছরের পুরোনো সেই সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী হিসেবে তিনিই ছিলেন প্রথম সারিতে। নিজের ‘জন্মগত অধিকার’ হারানোর প্রায় অর্ধশতাব্দী পর ৬৫ বছর বয়সে এসে পাহলভির অপেক্ষার প্রহর হয়তো শেষ হতে চলেছে।

ট্রাম্প গত সপ্তাহে তেহরানকে হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে পারে।

উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রার মানে ধস সরকারের প্রতি জনগণের হতাশা তৈরি করেছে।

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানে হামলার হুমকিও দিয়েছেন।

গত মাসে তেহরানে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ ইতিমধ্যে ইরানের ৩১ প্রদেশের সব কটিতে ছড়িয়ে পড়েছে।

ইরানে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে বিক্ষোভকারীদের আগুন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের স্বঘোষিত ‘যুবরাজ’ রেজা পাহলভির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন।

প্রথমবারের মতো ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য শুধু নিষেধাজ্ঞাকেই দায়ী করা যায় না।

ইরানের প্রেসিডেন্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।

গত ১২ দিনে ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২৫টির ৩৪৮টি স্থানে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার খবর জানা গেছে।