
৫ জানুয়ারি ২০১৪: কলঙ্কিত এক নির্বাচন
৫ জানুয়ারি ২০১৪: কলঙ্কিত এক নির্বাচন

৫ জানুয়ারি ২০১৪: কলঙ্কিত এক নির্বাচন

ভোটের পরদিন মুক্তকণ্ঠের ছাপা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ছিল, ‘জাল ভোট, কলঙ্কিত নির্বাচন’।

এবার নির্বাচন পর্যবেক্ষণে অনুমতি পেয়েছেন ৮১টি দেশি সংস্থার ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন। এর ১৯ শতাংশই পাশার।

দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো শ্রেণিকক্ষের শিক্ষক। সেই শিক্ষক যখন পাঠদান ছেড়ে ভোটার তালিকা, জরিপ, তথ্য সংগ্রহ বা নানা প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকেন, তখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো শিক্ষাকাঠামো।

এই আসনে প্রার্থী ১১ জন। ভোটার ৪ লাখের বেশি। নির্বাচনী এলাকার সব জায়গায় বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর ব্যানার–ফেস্টুন ও বিলবোর্ড রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের সার্বিক অবস্থা জানতে চান ইউরোপীয় পর্যবেক্ষকেরা।

কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের নির্বাচনী প্রচারে বাধা ও হামলার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বরিশাল-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা আর পেছনের ইতিহাস নিয়ে কামড়াকামড়ি করব না। কে তুলসীপাতায় ধোয়া, কে দুধে ধোয়া, টান দিলে সকলের গা থেকেই দুর্গন্ধ বের হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, ‘যাদের অতীতেও খাসলত খারাপ ছিল, এখনো যারা লোভ সামলাতে পারেনি, সেই বিড়ালের হাতে গোশত পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দেবেন? এরা রাষ্ট্রের জনগণের জান, মাল এবং ইজ্জতের নিরাপত্তা দেবে? এখনই দিচ্ছে না, তখন দেবে?’

টেকগ্লোবাল ইনস্টিটিউটের ‘হাইজ্যাকিং দ্য ভোট: ইনসাইড বাংলাদেশ’স ডেটা–ড্রাইভেন ইলেকশন ম্যানিপুলেশন’ শীর্ষক নীতি প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি আজ বৃহস্পতিবার নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে।