
ভিক্ষুদের সঙ্গে রোবটের কুংফু
সিজিটিএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির এই বিরল সংমিশ্রণ দ্রুত বিশ্বজুড়ে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

সিজিটিএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির এই বিরল সংমিশ্রণ দ্রুত বিশ্বজুড়ে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘নতুন কোনো ফ্যাসিস্টকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না মানুষ। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দলের সরকার হবে না, ১৮ কোটি জনতার সরকার হবে।

সাড়ে ৪১ হাজার মানুষের মতামতের ভিত্তিতে প্রকাশিত ইএএসডির এই জরিপ বলছে, নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট প্রায় ২০৮টি আসনে জয়লাভ করতে পারে।

তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। এ সময়ে বহু মানুষ হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেছেন, গফরগাঁওয়ের মানুষ টাকার কাছে বিক্রি হয় না, আদর্শ ও নীতির কাছে বিক্রি হয়।

জেলা শহরের মতো যমুনার দুর্গম চরে ভোটের আমেজ নেই। মোড়ে মোড়ে নেই ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড। ভোট নিয়ে ভোটারদেরও আগ্রহ নেই। তবে আছে মানুষের চাওয়া-পাওয়া আর হতাশা-বঞ্চনার নানা আক্ষেপ।

বাংলাদেশের ১৯ জন কীর্তিমান মানুষকে নিয়ে বই ‘বাংলাদেশের নায়কেরা’। তাঁদের কেউ সাহিত্যিক বা শিল্পী, কেউ উদ্যোক্তা বা বিজ্ঞানী, কেউ খেলোয়াড় বা পরিবেশকর্মী।

তারেক রহমান বলেছেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির দায়িত্ব দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা, বিএনপির লক্ষ্য দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া, দেশকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা।

সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের প্রতিপক্ষ বট বাহিনী সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যাচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করে, বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে, মানুষের এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর নিয়ে যায়।’

এবারের নির্বাচন কোনো সহজ অর্জন নয় উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ জানান, এই নির্বাচন পেতে সহস্র মানুষ শহীদ হয়েছেন, অসংখ্য মানুষ গুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে এনসিপির এই নেত্রী জানান, পরিবর্তন চাইলে শিক্ষিত, ভদ্র ও যোগ্য মানুষদের রাজনীতির মাঠে নামতে হবে।

এনসিপি ইশতেহারে আওয়ামী লীগ আমলের সব মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করার কথা বললেও কাঠামোগত গণহত্যায় যে হাজারো মানুষ মারা গেল রানা প্লাজা, তাজরীন, হাশেম ফুডসে, কিংবা চকবাজারে, সেগুলো নিয়ে তাদের কোনো আলাপই নেই। আলাপ নেই অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঘটা সব রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ও মব সন্ত্রাসের বিচার নিয়ে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন সময়ে ঘটা মানবতাবিরোধী অপরাধগুলো নিয়ে কোনো আলাপ নেই।