
ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র
ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের ওপর চাপ বজায় রাখার মধ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের ওপর চাপ বজায় রাখার মধ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

ইরানে হামলা চালানো থেকে ট্রাম্পকে বিরত রাখার প্রচেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

ইরানজুড়ে শুরু হওয়া বিক্ষোভের প্রায় দুই সপ্তাহ পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর পছন্দের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথে একটি বার্তা দেন। তিনি লেখেন, ‘ইরান এমন এক স্বাধীনতার দিকে তাকিয়ে আছে, যা (ইরান) আগে কখনো দেখেনি।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরি নেই।

ইরানে বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই বিবিসি ফারসি যেন যুক্তরাজ্য রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় বিক্ষোভের মাত্রা অতিরঞ্জিত করার এক বিশেষ মিশনে নেমেছে।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩ হাজার ৪২৮ এ দাঁড়িয়েছে।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ রাখার পর সব ফ্লাইটের জন্য নিজেদের আকাশসীমা খুলে দিয়েছে ইরান।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা পর কারা কর্তৃপক্ষ এরফানের পরিবারকে ফোন করে জানায়, এটি স্থগিত করা হয়েছে।

ইরান সাময়িকভাবে আকাশসীমা বন্ধ করায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থা বিপাকে পড়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের ধর্মীয় সরকারের পতন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তেহরানের পক্ষ থেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের (বিক্ষোভকারীদের) কোনো পরিকল্পনা নেই।

ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান এখন ইতিহাসের বিপজ্জনক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশজুড়ে বিক্ষোভ এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং স্থায়ী অবস্থায় রূপ নিচ্ছে। নতুন করে অস্থিরতার ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সহিংসতাও বেড়েছে। প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে আবারও একটি পরিচিত প্রশ্ন সামনে এসেছে। ইরান কি ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের মতো আরেকটি মোড়ের দিকে এগোচ্ছে।