হরমুজ প্রণালিতে কাদের জাহাজ চলবে, কাদের চলতে পারবে না, জানাল ইরান
বিশ্বের মোট জ্বালানির এক–ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক–তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়ে থাকে।
বিশ্বের মোট জ্বালানির এক–ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক–তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়ে থাকে।
ট্রাম্পের হরমুজ নিয়ন্ত্রণ ও জাহাজ থেকে অর্থ আদায়ের ঘোষণাকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান।
পাকিস্তান নিজের ভূখণ্ডে জ্বালানি সংরক্ষণের সুবিধা ভাড়া দেওয়ার কথা ভাবছে। এর লক্ষ্য, হরমুজ বন্ধ থাকলেও যাতে ক্রেতারা বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি পেতে পারে।
মার্কিন হামলার পাল্টা জবাবে হরমুজ প্রণালিতে দুটি জাহাজে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
ইরান হরমুজ প্রণালীর সাবমেরিন কেব্লে টোল আরোপ করে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে চায়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরু করার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ইরান।
হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে ভারতের মোট তেল আমদানি ১৫% কমেছে, এলপিজি ৪০% নেমেছে। তবে রাশিয়া থেকে আমদানি ৯০% বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ছাড় পেয়ে ভারত বিকল্প উৎস খুঁজছে।
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা দেওয়ার বিনিময়ে আটক ট্যাংকার ফেরত চায় ইরান।
যুদ্ধ বন্ধে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের পরিপ্রেক্ষিতে আইএমও এ উদ্যোগ নিয়েছে।
নিরাপত্তার কারণে অনেক জাহাজ উপসাগরের বিভিন্ন বন্দরে চলে গেছে অথবা উপকূলের কাছাকাছি নোঙর করে আছে।
এর থেকে ইঙ্গিত মিলছে, ট্রাম্প প্রশাসন এই কৌশলগত জলপথে ইরানের অবরোধ ভাঙতে উদ্যোগ নেবে।
কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি। এবং স্থানীয় নৌ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অমান্য করে এবং কোনো রকম পূর্ব সমন্বয় ছাড়া চলাচলের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রোববার (২৬ জুলাই) মধ্যপ্রাচ