আগামীকাল সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথেরও প্রস্তুতি চলছে
সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে কিছুটা সংশয় আছে। বিএনপি মনে করছে, বিদ্যমান সংবিধানে যা আছে, সেটা অনুসরণ করাই যৌক্তিক।
সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে কিছুটা সংশয় আছে। বিএনপি মনে করছে, বিদ্যমান সংবিধানে যা আছে, সেটা অনুসরণ করাই যৌক্তিক।
গত বৃহস্পতিবার সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোটও হয়।
বহুপ্রতীক্ষার ১৩তম জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হলো। স্বাধীনতার আগে এ অঞ্চলে পাঁচটি বড় নির্বাচন হয়। স্বাধীনতার পর হলো ১৩টি। এই ১৮টি নির্বাচনের মধ্যে সেরা ও কম বিতর্কিত ছিল ১৯৭০-এর নির্বাচন। সেটি ছিল নতুন সংবিধান প্রণয়নের নির্বাচন। এবারের নির্বাচনের শেষে যে সংসদ গঠিত হবে, তারও আরেক নাম সংবিধান সংস্কার পরিষদ। এই দুই নির্বাচনের মিলের দিক এটি। অন্য একটি মিলের দিক—উভয় নির্বাচনে ভোট গ্রহণ পর্যন্ত রক্তাক্ত সহিংসতা বেশ কম। ভোটকেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক অনিয়মের কোনো উপস্থিতি ছিল বলে দেখা যায়নি।
রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে আমরা এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির (পিআর) ভিত্তিতে উচ্চকক্ষ গঠন এবং সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষের অনুমোদন বা ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা সংস্কার কমিশনের এই প্রস্তাবেতে বিএনপি শুরু থেকেই আপত্তি জানিয়ে আসছে।
২০২৬ সালে এসেও রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও সংবিধান সংশোধনীর জন্য জুলাই সনদ প্রশ্নে গণভোট আহ্বান করা হয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত এবং পরবর্তী সময়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ছাড়া দেশের সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যই এই গণভোটের ভিত্তি।
২৫ জানুয়ারি ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ–২০২৬’ শিরোনামে ২০২৪–এর গণ-অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
গণভোট: ‘হ্যাঁ’ জিতলে খুলবে সংস্কারের পথ
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রায় শেষ হয়ে এল। প্রায় দেড় বছরের শাসন শেষ হওয়ার পর এখন তাদের কিছু প্রাথমিক মূল্যায়ন করা যেতে পারে। গত দেড় বছরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বেশ কিছু বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সম্মেলনের ডাক: ‘সংস্কার বা জোড়াতালি নয়, শ্রমিক-কৃষক জনগণের হাতে ক্ষমতা চাই, জনগণের সরকার সংবিধান রাষ্ট্র চাই।’