যুদ্ধ থেকে পুতিনের সম্মানজনক বিদায়ের পথ নেই
পুতিন রাষ্ট্র ও সমাজকে এমন এক যুদ্ধের ময়দানে এনে দাঁড় করিয়েছেন, যা ধীরে ধীরে রাশিয়ার শক্তি, সম্পদ ও তরুণদের জীবন ক্ষয় করছে।
পুতিন রাষ্ট্র ও সমাজকে এমন এক যুদ্ধের ময়দানে এনে দাঁড় করিয়েছেন, যা ধীরে ধীরে রাশিয়ার শক্তি, সম্পদ ও তরুণদের জীবন ক্ষয় করছে।
রুশ অধিকৃত ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চলের একাংশে চীনা কোম্পানির বিস্তার, ইউয়াননির্ভর অর্থনীতি ও ইরানের সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার চিত্র উঠে এসেছে।
রাশিয়ার সেনাবাহিনীর পক্ষে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া কিশোরগঞ্জের রিয়াদ রশিদ (২৮) ২ মে ড্রোন হামলায় নিহত হন। তার বন্ধু লিমন দত্ত গতকাল শুক্রবার ফেসবুক মেসেঞ্জারে সংবাদ জানান। পরিবার লাশের সন্ধান পাচ্ছে না, শোকে কাতর।
ইরানে এ পর্যন্ত এক হাজারের বেশি বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।
বর্তমানে ইরানে ঘটে যাওয়া নাটকীয় ঘটনাগুলো দেখে পুতিন সম্ভবত মনে করছেন, ইউক্রেনে তাঁর পদক্ষেপগুলো সঠিক ছিল।
এই দশকে বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলো যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা প্রজন্মের পর প্রজন্ম আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাব্যবস্থাকে প্রভাবিত করবে।
মূলত এই জালগুলো ড্রোনের প্রপেলার বা পাখা আটকে দেয়। ফলে ড্রোনগুলো মূল্যবান সামরিক সরঞ্জাম, সেনাসদস্য বা বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই অকার্যকর হয়ে পড়ে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ এমন বড় যুদ্ধ আর দেখেনি। একই সঙ্গে এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার সবচেয়ে প্রাণঘাতী যুদ্ধ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার চতুর্থ বর্ষপূর্তির দুই দিন আগে নতুন এ হামলা হলো।
মস্কোতে শুক্রবার পেছন দিক থেকে জিআরইউর শীর্ষ কর্মকর্তা ভ্লাদিমির আলেক্সেয়েভকে তিনবার গুলি করা হয়।
হাড়কাঁপানো শীতে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন নতুন করে মানবিক সংকটের মুখে রয়েছে।
মিত্রদেশগুলোর কাছে আরও আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা চেয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।