আমেরিকা-ইরান টানাপোড়েনের শেষ কোথায়?
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক এখন ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুদ্ধের পরও উভয় পক্ষের ভেতরে আলোচনার কথা উঠছে—তবে সমঝোতা টিকিয়ে রাখা হবে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক এখন ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুদ্ধের পরও উভয় পক্ষের ভেতরে আলোচনার কথা উঠছে—তবে সমঝোতা টিকিয়ে রাখা হবে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘খুব শিগগির’ ইরান যুদ্ধ শেষ করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও যুদ্ধের শেষসীমা দেখতে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব এবং চলমান হামলার মধ্যে মার্কিন নাগরিকরা দ্রুত যুদ্ধবিরতি চান।
বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর জেনারেলরা এখন মনে করছেন, ভবিষ্যৎ আক্রমণ ঠেকাতে পারমাণবিক অস্ত্রই একমাত্র নিশ্চিত উপায়।
যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, চুক্তি, যুদ্ধ, জেনেভা, ডোনাল্ড ট্রাম্প মেটা: চুক্তি সইয়ের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে এগিয়ে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের জেনেভার নাম।
ইরানের ইস্পাতকঠিন প্রতিরোধের মুখে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের আগ্রাসন ও রক্তক্ষয়ী এ সংঘাতের অবসান ঘটাতে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার সূচনা হয়েছিল অত্যন্ত বিধ্বংসী উপায়ে।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) প্রতিবেদন।
ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধের সফলতা বিপন্ন। তুরস্কের ডার্ডানেলেস ও গ্যালিপোলির ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে মন্ট্রে কনভেনশনের মতো চুক্তির মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। চার্চিলের ভুল এড়াতে কূটনৈতিক পথ বেছে নেওয়া জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল নতুন করে ইরানে হামলা শুরু করতে পারে। এ আশঙ্কা থেকে ইরানের জনগণকে অস্ত্রে হাতে তোলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
ইরানের যুদ্ধ বিশ্বকে ভয়াবহ জ্বালানি–সংকটের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে বলে হুঁশিয়ার করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরোল।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের মাঝে ড্রোন হামলা এবং তেল রপ্তানির পথে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সৌদি আরব।
ওয়াশিংটন পাঁচ দফার একটি তালিকা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইরান কেবল একটি পারমাণবিক কেন্দ্র সচল রাখতে পারবে।
যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যের সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার হুমকি ইরানের।