
বিশ্ববাজারে তেলের সঙ্গে বাড়ছে খাদ্যের দাম, কী করবে বাংলাদেশ
বিশ্ব অর্থনীতির জন্য সামনে খারাপ সময় অপেক্ষা করছে বলেই ধারণা করছেন বিশ্লেষকেরা। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশও তার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে না।

বিশ্ব অর্থনীতির জন্য সামনে খারাপ সময় অপেক্ষা করছে বলেই ধারণা করছেন বিশ্লেষকেরা। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশও তার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে না।

উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে সুদহার কমানোর উদ্যোগে বিতর্ক তৈরি হওয়া ও সাদিক আহমেদের পদত্যাগের কারণে সভাটি স্থগিতের কারণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

টানা উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেশের নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাপনে যে কত বড় সংকট তৈরি করেছে, তা টিসিবির ট্রাকের পেছনে ছুটতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে যাওয়া নারীর ছবিই বড় উদাহরণ।

আজ মঙ্গলবার দিন শেষে দাম বেড়েছে ২৮৮টি কোম্পানির শেয়ারের। দাম কমেছে ৬৭টির ও অপরিবর্তিত আছে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের।

আজ সোমবার নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঘোষিত এই মুদ্রানীতির কিছু লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে বলে মনে করছেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি।

আইএমএফ বলেছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ ও মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯ শতাংশে থাকবে। দুর্বল ব্যাংকগুলোকে অনিরাপদ তারল্য দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে আইএমএফ।

অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগ নেওয়ার পরও অর্থনীতিতে নানা চ্যালেঞ্জ আছে। সামনে জাতীয় নির্বাচন। নতুন সরকার কেমন অর্থনীতি পাবে, তা নিয়ে জল্পনা–কল্পনা শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি আজ একটি অস্বস্তিকর বাস্তবতার মুখোমুখি। আয়ের তুলনায় জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে লাগামহীনভাবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাগুলো টিকে থাকার অন্তহীন সংগ্রামে ব্যস্ত।

গত বছরের শেষ দিকে ইরানের একাধিক শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়। অর্থনৈতিক চাপ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানিসংকট এবং গত জুনে হওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের পর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্লান্তির সমন্বয়ে মানুষ ফুঁসে ওঠে।

আমরা কোনো শর্ত ছাড়াই ইতিমধ্যে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার কিনেছি, যা আইএমএফের সহায়তার চেয়েও বেশি। এর ফলে বাজারে ৪৫ বিলিয়ন টাকা ঢুকেছে।’

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি কমেছে। প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি অনেক দিন ধরে উচ্চপর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে আছে। বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগ কম, সরকারি বিনিয়োগ অনেক ক্ষেত্রে অদক্ষ ও অপচয়মুখী, সরকারি ঋণ বেড়েছে, মানুষের প্রকৃত আয় কমছে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি অনেক কমে গেছে। এসব কারণে অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি হয়েছে।

গণ–অভ্যুত্থানের পর নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সংস্কার কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শ্রীলঙ্কায় মূল্যস্ফীতি এখন শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ।