কোরআন যেভাবে সমাজসেবার কথা বলে (১)
ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই আল্লাহর হক ও বান্দার হক রক্ষার বিষয়টি অবিচ্ছেদ্যভাবে মুসলমানদের আচরণে প্রকাশ পেয়েছে। কোরআনে দুটি বিষয়কে আলাদা করা হয়নি।
ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই আল্লাহর হক ও বান্দার হক রক্ষার বিষয়টি অবিচ্ছেদ্যভাবে মুসলমানদের আচরণে প্রকাশ পেয়েছে। কোরআনে দুটি বিষয়কে আলাদা করা হয়নি।
ইসলামের ইতিহাসের আলোচনাতেও রাশিয়ার ও সেখানকার মুসলমানদের প্রসঙ্গ সেভাবে স্থান পায় না। অথচ রুশ দেশ থেকে হজ সফরের কাহিনি কম চিত্তাকর্ষক নয়।
মুসলমানদের সামনে একটাই পথ খোলা ছিল—নিজেদের আত্মরক্ষা এবং ধর্ম ইসলামের পবিত্রতা বজায় রাখার খাতিরে ধনসম্পদ ও আত্মীয়স্বজন ত্যাগ করে অন্য কোথাও চলে যাওয়া।
উপস্থিত মুসলমানরা বেদুইনের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে বললেন, ‘আল্লাহর রাসুল কখনো মিথ্যা বলতে পারেন না।’ এমন সময় সাহাবি খুজায়মা (রা.) সেখানে এগিয়ে আসেন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে (পিআইবি) এক আলোচনা সভায় তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
কোরআনের বারবার তাগিদ দেওয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে এক জোরালো ইঙ্গিত ছিল যে, ভবিষ্যতে মুসলমানরা উন্নত ও সুসভ্য জাতিসমূহের সংস্পর্শে আসবে। বাস্তব চিত্রও তা-ই ছিল।
ভেদাভেদ ভুলে দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে, মুসলমানদের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার ঈদের নামাজ শেষে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
সাম্য, ত্যাগ ও মানবিকতার বার্তা নিয়ে বছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলমানদের জীবনে বছরে দুটি প্রধান আনন্দ-উৎসবের একটি ঈদুল আজহা।
ঈদুল আজহার আগের দিন মুসলমানদের সামনে মূল প্রশ্নটি হলো—তাঁরা কোনো ধরনের তল্লাশি, সংঘাত বা জনসাধারণের বৈরী আচরণের মুখোমুখি না হয়ে শান্তিতে নামাজ আদায় করতে পারবেন কি না।
বিভিন্ন দেশে আজ মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হচ্ছে।
উপনিবেশবিরোধী আন্দোলনে তাঁর ভূমিকাকে আলাদাভাবে দেখবার যেমন প্রয়োজন রয়েছে, তেমনি উত্তর–ঔপনিবেশিক সাহিত্যভাবনায় নজরুলকে নতুনভাবে বিবেচনারও প্রয়াস চালানো দরকার। তাঁকে খণ্ডিত করে মুসলমানের কবি বানানোর অপচেষ্টায় যারা লিপ্ত, তাদের হাত থেকে নজরুলকে রক্ষা করতে হলে আজকের নতুন প্রজন্মকে নজরুলের পাশে দাঁড়াতে হবে, নজরুলের দর্শনকে ধারণ করতে হবে মনে ও মননে।
ওসমানিয়া শাসকরা মূলত সুলতান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। যদিও পরবর্তীকালে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানরা অনেকেই তাঁদেরকে খলিফা ও ওসমানিয়া সাম্রাজ্যকে ওসমানিয়া খিলাফত হিসেবে অভিহিত করেছেন।