মদিনায় ১০ রমজান: কেমন ছিল নবীজি (সা.)–এর শেষ দশক
হিজরির দ্বিতীয় বছরে রমজানের রোজা ফরজ করা হয়। সেই বছর ১৭ রমজান বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। নবীজি (সা.) রমজানের শেষ দশকে নিয়মিত ইতিকাফ করতেন।
হিজরির দ্বিতীয় বছরে রমজানের রোজা ফরজ করা হয়। সেই বছর ১৭ রমজান বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। নবীজি (সা.) রমজানের শেষ দশকে নিয়মিত ইতিকাফ করতেন।
কখনো কখনো মসজিদে থাকা অবস্থায় নবীজি হজরত আয়েশার কক্ষের দিকে মাথা বাড়িয়ে দিতেন। আয়েশা (রা.) তখন তাঁর চুলের পরিচর্যা করে দিতেন।
রণক্ষেত্রের উঁচু টিলার ওপর নবীজির জন্য একটি শামিয়ানা স্থাপন করা হয়েছিল, যেখান থেকে পুরো মাঠ দেখা যেত। এর ভেতরে আবু বকর (রা.) রাসুলের সঙ্গে ছিলেন।
বইটি প্রকাশের পর থেকে ইংরেজিভাষী মুসলিম–মুসলিম পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়। বইটি দেখলে জীবনীগ্রন্থ মনে হয় না, বরং যেন একটি সুপরিকল্পিত ‘স্টাডি গাইড’।
১৫ রমজান দিনটি ঘটনাবহুল। একদিকে যেমন এই দিনে মহানবী (সা.)–এর দৌহিত্রের আগমনে ঘটে, তেমনি এটি বিশ্বকে মঙ্গোলদের হাত থেকে রক্ষার ঐতিহাসিক সাক্ষী।
আবু তালিবের মৃত্যুর কিছুকাল পরে এই দিনে খাদিজা (রা.)-এর বিদায় নবীজির জীবনে বিশাল শূন্যতা তৈরি করে, যা ইতিহাসে শোকের বছর হিসেবে পরিচিত।
রমজানের আগ থেকে নবীজি রমজানের প্রস্তুতি নিতেন। রমজান শুরু হলে নিজেকে পুরোপুরি ইবাদতে মশগুল করে রাখতেন। শেষ দশকে নিজের পরিবারকে ইবাদতের জন্য জাগিয়ে দিতেন।
মুসলমানদের কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশ অমান্য করলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও শাসকদের অপসারণের হুমকি দেওয়া হয় এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টির ভয় প্রদর্শন করা হয়।
ঘরটির আয়তন ছিল মাত্র ছয়–সাত হাত। দেয়াল মাটির তৈরি, ছাদ খেজুরগাছের ডাল দিয়ে বানানো, এতটাই নিচু যে হাত বাড়ালেই ছোঁয়া যেত।
হালিমা যখন শিশু নবীজি (সা.)–কে শেষবারের মতো তাঁর মায়ের নিকট নিয়ে আসছিলেন তখন মক্কার উঁচু ভূমিতে পৌঁছার পর তাঁকে হারিয়ে ফেলেন।
তায়েফ দুর্গ অবরোধের সময় যখন তিনি দেখলেন যে দীর্ঘ অবরোধ চালালে মুসলিম মদিনার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, তখন তিনি সাহসিকতার সঙ্গে অবরোধ তুলে নেন।
যারা বিভিন্ন কারণে পরিবার থেকে দূরে আছেন, তাদের উচিত নবীদের জীবনী থেকে শক্তি সঞ্চয় করা। মানুষের পরিকল্পনা যেখানে শেষ, আল্লাহর পরিকল্পনা সেখান থেকেই শুরু।