
বেড়েছে তেলের দাম, ইরান–যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা স্থগিতের জের
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। ইরান জাহাজে হামলার হুমকি দিলে হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়ে।

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। ইরান জাহাজে হামলার হুমকি দিলে হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়ে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের প্রাপ্তি নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তাতে এবারের গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুতের লোডশেডিং করতে হবে, সেটা আগে থেকেই ধারণা করা গিয়েছিল।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যে বহুমাত্রিক প্রভাব তৈরি করেছে, সেটা বলাই বাহুল্য।

ইরানের ক্ষমতা এখন ধর্মীয় নেতৃত্বের চেয়ে সেনাবাহিনীর দিকে বেশি হেলে পড়েছে।

বর্তমান যুদ্ধের সময় দুই মাসের কম, স্থলযুদ্ধ প্রায় হয়নি বললেই চলে, বন্দী নেই, আর আলোচনায় আসতে হবে মূলত দুই পক্ষকেই। ফলে কূটনীতি কিছুটা সহজ মনে হতে পারে।

যুদ্ধের আগে একই পরিমাণ তেল আমদানিতে খরচ পড়েছিল প্রায় অর্ধেক। সৌদি আরব থেকে সর্বশেষ তেল এসেছে জানুয়ারি মাসে।

ইরান মনে করে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে আগে পিছু হটেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পই।

দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি এক শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা মনে হচ্ছে বিশ্বাসের ঘাটতি।

সংঘাত বন্ধে বড় ধরনের ছাড় পেতে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর যে কৌশল ট্রাম্প নিয়েছেন, এ নিষেধাজ্ঞা তারই অংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাকিস্তান সফর স্থগিত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি অবগত একজন মার্কিন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত ইরানি দূতাবাস সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উপহাস করেছে।

ইসলামাবাদে প্রথম বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনা রয়েছে অনিশ্চয়তায়। মার্কিন প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তেহরানের একের পর এক অপরিপক্ব ও অগোছালো বক্তব্য এ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।