বাজেটে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফিরুক
সরকারের কাছে জোরালো দাবি, এবারের বাজেটে যেন এমন কার্যকর পদক্ষেপ থাকে, যাতে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে থাকে।
সরকারের কাছে জোরালো দাবি, এবারের বাজেটে যেন এমন কার্যকর পদক্ষেপ থাকে, যাতে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে থাকে।
বর্তমানে অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নাভিশ্বাস ওঠার দশা হয়েছে।
একটি দেশের উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো, সেতু বা উঁচু ভবন দিয়ে পরিমাপ করা যায় না; মানুষের স্বাস্থ্যসেবার মানও উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
সরকার রাজস্ব আয় বাড়ানোর কথা বলছে; কিন্তু বাস্তবে যাঁরা কর দেন তাঁদের ওপরই বেশি চাপ তৈরি হচ্ছে।
প্রতিবছরের মতো এবারও বাজেটে সিগারেটের দাম বাড়ছে। তবে প্রথমবারের মতো নিকোটিন পাউচকে করের আওতায় আনা হচ্ছে।
বিবিএসের সাময়িক হিসাবে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মাথাপিছু গড় আয় ৩ হাজার ২০ ডলার ও জিডিপির আকার ৫০১ বিলিয়ন ডলার।
সমিতি বলছে, ১০ শতাংশ আয়কর বহাল থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও মানোন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে। শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে।
এবারের বাজেটে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ নজর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি চিকিৎসা খরচ কমাতে যেমন নানা ধরনের ছাড় দিয়েছেন, তেমনি ওষুধের দাম নাগালে আনতে ওষুধের কাঁচামালে শুল্ক–কর ছাড় দেওয়ারও প্রস্তাব করেছেন।
বাজেটে কৃষি খাতের জন্য যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তাতে এই খাতে উৎপাদন ব্যয় কমবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদেরা।
আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব হয়েছে। দেশে গত দেড় বছরের বেশি সময় ব্যবসা–বাণিজ্যে মন্দাভাব চলছে।
রেক্সহ্যাম ওয়েলসের ছোট্ট একটা শহর। একসময় এটি ছিল বাজার, খনি ও বিয়ার তৈরির শহর।
এবারের বাজেটে তৈরি পোশাকশিল্পের দুটি প্রধান প্রত্যাশা ছিল—করব্যবস্থার সংস্কার এবং চলমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের প্রেক্ষাপটে বিকল্প জ্বালানি