
মানুষের জন্য স্বস্তির বাজেট হোক
‘সংকটকালের বাজেট ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।

‘সংকটকালের বাজেট ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।

এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, এনসিপির পক্ষ থেকে সরকারকে বাজেটের একটি রোডম্যাপ (পথনকশা) দিতে দলীয়ভাবে ছায়া বাজেট প্রণয়ন কমিটি করা হয়েছে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, পৃথিবীতে কোনো দিন শুধু আয়কর দিয়ে বৈষম্য দূর করা সম্ভব হয়নি। এর জন্য সম্পদ কর লাগে। মধ্যবিত্তের বাধা আসার ভয়ে জনপ্রিয়তা হারানোর চিন্তা করলে চলবে না।

আগামী অর্থবছরের বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে বাজেট বাড়ছে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে আশা প্রকাশ করা হয়, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন।

মোট ওয়াশ উন্নয়ন বাজেটের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই বরাদ্দ দেওয়া হয় শহর অঞ্চল, পৌরসভা এবং পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষকে (ওয়াসা)।

আজ একশনএইড আয়োজিত সংলাপে বলা হয়, গত পাঁচ বছরে জিডিপির তুলনায় শিক্ষা বাজেট ও জেন্ডার বাজেট কমেছে। জলবায়ুঝুঁকিতে থাকা দেশ হওয়া সত্ত্বেও এডিপিতে কমেছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দ।

গোলটেবিল বৈঠকে ‘বিয়ন্ড বাজেট অ্যালোকেশন: এনসিউরিং ইফেকটিভ ইউটিলাইজেশন’ শীর্ষক একটি নীতিগত উপস্থাপনা তুলে ধরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ।

সাংবাদিক সোহরাব হাসান বলেন, রাষ্ট্রের অধিকাংশ মানুষই প্রান্তিক, কিন্তু বাজেটে তাদের প্রয়োজন যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না।

বাংলাদেশের আসন্ন বাজেটের বিষয়বস্তু এবং তার আকার সম্পর্কে এর মধ্যে কিছু আভাস পাওয়া গেছে। বাজেটের সম্ভাব্য রূপরেখার কিছু কিছু চিত্রও অর্থমন্ত্রীর নানান বক্তব্য এবং সেই সঙ্গে বাজেট বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নানান নির্দেশনা থেকে বেরিয়ে এসেছে।

প্রাক্-বাজেট আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা বলেন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ সেটা করের ক্ষেত্রে হোক অথবা করবহির্ভূত রাজস্ব হোক, দুটি ক্ষেত্রেই আমরা পরিমাণ বাড়াব, করের হার বাড়াব না।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেটে সম্পদ কর চালু এবং তামাক-মদের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। নিম্ন-মধ্যম আয়ের করদাতাদের স্বক্ষতি দেওয়ার জন্য করমুক্ত সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার থেকে ৪ লাখ টাকায় নেওয়া হবে। মোটরসাইকেল ও ব্যাটারি রিকশায় নতুন অগ্রিম আয়কর আরোপের প্রস্তাব রয়েছে।