দাড়ি রাখা প্রসঙ্গে ধর্মীয় আলোচনাসংক্রান্ত ব্যাখ্যা
ইসলামে দাড়ি রাখা প্রসঙ্গে কোরআন-হাদিসের আলোকে ‘সুন্নাতে ওয়াজিবা’, পরিমাণ ও ফজিলত সম্পর্কিত ব্যাখ্যা নিয়ে ধর্মীয় আলোচনাভিত্তিক লেখা।
ইসলামে দাড়ি রাখা প্রসঙ্গে কোরআন-হাদিসের আলোকে ‘সুন্নাতে ওয়াজিবা’, পরিমাণ ও ফজিলত সম্পর্কিত ব্যাখ্যা নিয়ে ধর্মীয় আলোচনাভিত্তিক লেখা।
কিছু নৈতিক ও আত্মিক ব্যাধি এ পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এসব প্রতিবন্ধকতার কথা স্পষ্টভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
সৌদি আরবের তায়েফ শহরে আজও দাঁড়িয়ে আছে একটা ছোট্ট, শ্বেতশুভ্র মসজিদ। মসজিদটি একটি ইট-পাথরের স্থাপনা মনে হলেও ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাদায়ক সফরের স্মারকও বটে।
রাত জেগে অতিরিক্ত কাজ করার কারণ হলো, ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা এবং দ্রুত ধনী হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা। মানুষ মনে করে সে যত জাগবে, তত আয় করবে।
অনেক সময় আত্মীয়স্বজনের মধ্যেই দেখা যায় কেউ আমাদের কষ্ট দিচ্ছে, পেছনে কথা বলছে, ভুল বুঝছে কিংবা কোনো কারণে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।
নিজের চেয়ে কম যাদের আছে, তাদের দিকে তাকিয়ে শুকরিয়া আদায় করা, যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা, আর তুলনার অভ্যাস থেকে নিজেকে সচেতনভাবে দূরে রাখা।
আমরা কোরআন থেকে কীভাবে বরকত গ্রহণ করব এবং কেনই-বা আমরা নিয়মিত কোরআন পড়া সত্ত্বেও এর আলোয় জীবন আলোকিতা করতে পারছি না।
আরবিতে ‘আশারা’ মানে দশ, আর ‘আশুরা’ অর্থ দশম তারিখ। পরিভাষায় মহররমের ১০ তারিখকে আশুরা বলা হয়।
কারবালার বহু শতাব্দী আগে থেকে আশুরার একটি আলাদা ইতিহাস আছে—ইহুদি ও ইসলামি ঐতিহ্যের মধ্যকার একটি ধর্মতাত্ত্বিক সংযোগের ইতিহাস।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই দিনকে কেন্দ্র করে আমাদের সমাজে তৈরি হয়েছে অনেক ভিত্তিহীন কাহিনি, যা লোকমুখে ছড়াতে ছড়াতে ধর্মীয় বিশ্বাসের রূপ নিয়েছে।
মানুষ যখনই আল্লাহর একত্ববাদ ও মৌলিক বিশ্বাস থেকে দূরে সরে গেছে, তখনই কোনো নবী এসে আবার সেই আদি ও অকৃত্রিম ইসলামের দিকে আহ্বান করেছেন।
উপস্থিত মুসলমানরা বেদুইনের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে বললেন, ‘আল্লাহর রাসুল কখনো মিথ্যা বলতে পারেন না।’ এমন সময় সাহাবি খুজায়মা (রা.) সেখানে এগিয়ে আসেন।