দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ২৭৬৯ ডলার, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩.৪৯%
আজ বৃহস্পতিবার ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মাথাপিছু আয়, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) চূড়ান্ত হিসাব দিয়েছে বিবিএস।
আজ বৃহস্পতিবার ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মাথাপিছু আয়, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) চূড়ান্ত হিসাব দিয়েছে বিবিএস।
এলডিসি-পরবর্তী সময়ে নতুন বাণিজ্যচুক্তি ও বাজার বহুমুখীকরণ অপরিহার্য। অর্থনৈতিক ম্যান্ডেটের জন্য দৃশ্যমান সংস্কার ও কার্যকর নীতি দরকার।
বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশের কম। এর ফলে শিক্ষা ও গবেষণা কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।
চলতি বছর বৈশ্বিক অর্থনীতি ১২৩ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
খেলাফত মজলিস জিডিপির প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশে নিতে চায়।
আইএমএফ বলেছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭ শতাংশ ও মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯ শতাংশে থাকবে। দুর্বল ব্যাংকগুলোকে অনিরাপদ তারল্য দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছে আইএমএফ।
‘উন্নয়নের রোল মডেল’, ‘২০৪১ সালে উন্নত দেশ’—এই স্লোগানগুলো তৈরি হয়েছে এই গ্র্যাজুয়েশনকে কেন্দ্র করে। কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠছে, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আখ্যান নির্মিত হয়েছিল, সেই তথ্য কতটা নির্ভরযোগ্য ছিল? হোয়াইট পেপার বা শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, ‘উন্নয়নের গল্প পরিসংখ্যানগত দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যতিক্রমী ছিল, কিন্তু সেগুলো ছিল জনগণের সঙ্গে প্রতারণা’।
বিআইজিডির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের যথেষ্ট রাজনৈতিক ক্ষমতা না থাকায় সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যা তৈরি হয়।
সরকারের কাছে জমা দেওয়া জাতীয় কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্তবিষয়ক প্রতিবেদনের ওপর পিআরআইয়ের সংবাদ সম্মেলন।
জাতীয় নির্বাচন হলে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কমবে। নতুন সরকার এসে কাঠামোগত সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করবে, এমন প্রত্যাশা বিশ্বব্যাংকের।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) চলতি অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের জিডিপির এই তথ্য প্রকাশ করেছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।