
৬৫ বছরে আগের তুলনায় মানুষ এখন ছয় গুণ বেশি মুরগির মাংস খাচ্ছে
জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৬০ বছরে বিশ্বব্যাপী মাংসের সরবরাহ চার গুণ বেড়েছে এবং এই বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৬০ বছরে বিশ্বব্যাপী মাংসের সরবরাহ চার গুণ বেড়েছে এবং এই বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

যখন একজন বৃদ্ধ খামারি এসে বলেন, ‘মাগো, তোমার ওষুধে আমার গরুটা সুস্থ হইছে, দোয়া করি বড় ডাক্তার হও’- তখন সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। মানুষের এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও চোখের পানির মূল্য কোটি টাকা দিয়েও কেনা সম্ভব নয়।’

চার দশক ধরে কোরবানির মাংস রান্না করে বিরিয়ানি খাওয়াচ্ছে চাকলাদার পরিবার। চার গরুর মাংস ও ৩০০ কেজি চালের ভোজে অংশ নেন প্রায় তিন হাজার মানুষ।

রাজধানীর তেজগাঁও ইজারাদারের উদ্যোগে কোরবানির পশুর হাট এলাকায় পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

সরকার নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বড় আকারের গরুর চামড়ার দাম দাঁড়ায় ১,২০০ টাকা। কিন্তু ঢাকায় এই ধরনের চামড়া বিক্রি হয়েছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়।

প্রতি ঈদে সেরা গরু নির্বাচন করা ছিল আমাদের বিশেষ দায়িত্ব। দুপুর গড়িয়ে বিকেলে রাস্তায় সারি সারি গরু যেত, গরুগুলো সাজানো থাকত নানা রঙে। গলায় মালা, পিঠে ফিতা, কপালে ঝলমলে আবরণে মনে হতো গরুগুলো অন্য এক পৃথিবী থেকে এসেছে।

কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করেছিলেন কিছু বাড়তি আয়ের আশায়। ক্রেতা না পাওয়ায় শতাধিক গরু ও খাসির চামড়া নদীতে ফেলে দিয়েছেন ফেনীর দুই মৌসুমি ব্যবসায়ী।

ঈদের দিন সন্ধ্যায় চুলায় রান্না হচ্ছিল গরুর মাংস। ক্ষুধার্ত ছেলে বারবার মাকে বলছিল, ‘তাড়াতাড়ি রুটি দাও, মাংস দাও।’ কিন্তু মায়ের হাতের সেই রান্না আর খাওয়া হয়নি কিশোর মো. ইব্রাহিমের (১৫)।

ঈদের দিন বিকেল পর্যন্ত সবকিছু ঠিকই ছিল। চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা গরুর চামড়া সংগ্রহ করছিলেন। কেউ ভ্যানে। কেউ পিকআপে। কারও সামনে শত শত চামড়া। সবারই আশা ছিল, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম উঠবে। কিন্তু সেই আশা শেষ পর্যন্ত ভেঙে যায়।

ঢাকায় মাঝারি গরুর কাঁচা চামড়া বিক্রি হয়েছে প্রতিটি ৫০০-৬৫০ টাকায়। যা গত বছর বিক্রি হয়েছে ৭০০-৮০০ টাকায়।

একজন গরুর শিংয়ের গুঁতায় গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁর পাকস্থলীতে রক্ত জমাট বেঁধে গেছে।

ঈদের দুপুর। চট্টগ্রাম নগরের দেওয়ানহাট মোড়ে তখন ছোট ছোট দলে বসে মাংস বিক্রি করছেন অনেকে। কারও সামনে পলিথিনে রাখা গরুর মাংস। কোথাও হাড়, চর্বি আর মাংস একসঙ্গে রাখা। কেউ দাম হাঁকছেন। কেউ দরাদরি করছেন। পাশ দিয়ে হাঁটতে হাঁটতেই মানুষ থেমে দেখছেন। কেউ আধা কেজি, কেউ দুই-তিন কেজি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।