ইরানে ‘গোপন হামলা’—সৌদি আরব ও আমিরাতের ‘নীরব যুদ্ধের’ ভবিষ্যৎ কী
সৌদি আরব ও আমিরাত—দুই দেশের কাছেই এ অঞ্চলের সবচেয়ে আধুনিক এবং সুসজ্জিত বিমান বাহিনী রয়েছে।
সৌদি আরব ও আমিরাত—দুই দেশের কাছেই এ অঞ্চলের সবচেয়ে আধুনিক এবং সুসজ্জিত বিমান বাহিনী রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার মুখে ইরানে কট্টরপন্থীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে নতুন বিতর্ক। চলমান পরিস্থিতিতে তেহরানের পরমাণু বোমা তৈরি করা উচিত কি না-এই বিতর্ক এখন দেশটিতে জোরালো হয়ে উঠেছে। অনেকে প্রকাশ্যেই এ নিয়ে কথা বলছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া সত্ত্বেও গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।
জাহাজ চলাচলকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, প্রণালিটি দিয়ে যান চলাচল যুদ্ধ–পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে এখনো সময় লাগবে। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং মাইন পরিষ্কারের কাজ এখনো বাকি।
বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের মাঝে ড্রোন হামলা এবং তেল রপ্তানির পথে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে সৌদি আরব।
গতকাল হিজবুল্লাহর ১০০টির বেশি অবকাঠামো ও যোদ্ধাদের অবস্থানে হামলা চালানো হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান হরমুজ প্রণালিতে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। যুদ্ধবিরতির মধ্যে এ সংঘাত সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা দিয়েছে। দুই পক্ষই পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে দাবি করলেও উভয়ই পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
ইরানে ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক বিমান হামলায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। যুদ্ধবিরতি ভেঙে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখন চরমে।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে সিরিয়া, ওমান ও কুয়েতে পাল্টাহামলার দাবি ইরানের।
ইরানে মেয়েদের ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী।
সাক্ষাৎকারে রেজাই যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ও নতুন করে হামলা হলে ইরানের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে কথা বলেন।